মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমকামী বিয়ে, শাস্তির দাবিতে ১২৩০ নাগরিকের বিবৃতি সিরাজগঞ্জে ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন  গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধার মৃত্যু খেলাফত মজলিস লুটন শাখার শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত চার দিনের সফরে ঢাকায় দেওবন্দের মুহতামিম পায়ে হেঁটে হজের উদ্দেশে রওয়ানা করলেন নাটোরের দুলাল হোসেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা সিরাজগঞ্জে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে জামায়াত: নুরুল হক নুর বুধবার জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা সৌদি ইয়ামামা কোম্পানিতে পরিছন্নতা কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় জেদ্দার হাইয়াল সামির এলাকায় তাদের বহনকারী গাড়িটিকে অপর একটি বড় লরী ধাক্কা দিলে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।

নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতির আউলাতৈল গ্রামের ফোরকান আলীর ছেলে আল-আমিন, ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও এর কামাল উদ্দিন এর ছেলে শাকিল মিয়া (তার পাসপোর্ট নাম্বার বিসি-০১৮৩০৩০) এবং নরসিংদী জেলার মনোহরদীর উত্তর কাচিকাটা গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে কাওছার মিয়া।

জানা যায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সৌদি রেড ক্রিসেন্ট, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সিভিল ডিফেন্সের জরুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।  তাদের মরদেহ জেদ্দা বাদশাহ আব্দুল আজিজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

নিহত শাকিল মিয়ার চাচাতো ভাই রাসেল জানান, মঙ্গলবার রাত একটার সময় তারা কাজে গিয়ে বুধবার দুপুর বারোটার সময় কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার মুহূর্তে এই দুর্ঘটনা ঘটে। শাকিল পরিবারের বড় ছেলে। দুই ভাই এক বোন শাকিল সবার বড়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছিলেন শাকিল। শাকিল কিছু দিন আগে ছুটি শেষ করে সৌদি আরবে এসেছে বলে জানায় রাসেল মিয়া।

নিহত কাওছারের মামা আজহার জানান, পিতৃহীন কাওছার বিধবা মায়ের একমাত্র সন্তান। গত তিন বছর পূর্বে তার বাবাও সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল। কাওছার ছিল পরিবারের একমাত্র সম্বল। এখন তার বিধবা মাকে দেখাশোনা করার আর কেউ রইলো না। নিহতের মায়ের বাংলাদেশ সরকারের কাছে একমাত্র দাবী ছেলের লাশটি যেন দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

নিহত আল-আমিনের স্ত্রী বিলকিস বেগম জানান, তাদের বিয়ের পাঁচ বছর হলেও তাদের কোন সন্তান নেই। আল আমিন তাদের পরিবারের একমাত্র সম্বল। নিহত আল আমিন ছিল পরিবারের সবার বড়। তার একটি ছোট বোন রয়েছে। স্বামীকে হারিয়ে বিলকিস বেগমের পরিবারের চলছে শোকের মাতম।

বিলকিস বেগম আরও বলেন, আমার স্বামীকে আর পাব না কিন্তু আমার মৃত স্বামীর লাশটি যেন দেখতে পারি। আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আমার স্বামীর লাশটি আমাদের কাছে পাঠান। শেষবারের মতো যেন তাকে দেখতে পারি।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে যতদ্রুত সম্ভব নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানো হবে বলে জানান জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম কল্যাণ উইংয়ের কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ