শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

কাদিয়ানীরা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে আঘাত হেনেছে: মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের স্পন্দন, বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ সা. কে সর্বশেষ নবি অস্বীকার করে কাদিয়ানী সম্প্রদায় মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে আঘাত করেছে। মুসলমানদের ঈমানের মৌলিক অংশ হচ্ছে হযরত মুহাম্মদ সা. সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবি।

মুসলমানদের ঈমান বিধ্বংসী এই কাদিয়ানী সম্প্রদায় আমাদের কলিজার টুকরো নবি সা. এর খতমে নবুয়তকে অস্বীকার করে দেড়'শ কোটি মুসলমানদের হৃদয়ে আঘাত করেছে। এ কাদিয়ানীরা কাফের। যারা কাদিয়ানীদের কাফের মনে করবে না তারাও কাফের। মুসলমানদের ঈমান বিধ্বংসকারী কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয় ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে।

গতকাল ২৭ জানুয়ারি সোমবার ঢাকা ধামরাই উপজেলা ইমাম পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী ঐতিহাসিক তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে প্রথম দিনের শেষ অধিবেশনে প্রধান অতিথির আলোচনা হাটহাজারী মাদরাসার মুহাদ্দিস ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী একথা বলেন।

মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী বলেন, কুরআনের শতাধিক আয়াত ও নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে সমস্ত বিষয় অকাট্যভাবে প্রমাণিত, যুগ-পরম্পরায় প্রতিষ্ঠিত এবং একজন সাধারণ মুসলমানের নিকটও যে বিষয়গুলি অজানা নয়, এমন একটি বিষয় হলো খতমে নবুওতের আকীদা অর্থাৎ আমাদের নবীজীর পর আর কোনো নবী নেই। নতুন করে কোনো নবী আর আসবেন না।

নবুওতের ধারা নবীজীর উপর এসে চিরতরে সমাপ্ত হয়ে গেছে। তাওহীদ, রেসালাত, কেয়ামত-আখেরাত, কুরআন মজীদ, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ইত্যাদির অস্বীকারকারী যেমন স্পষ্ট কাফের, তেমনিভাবে খতমে নবুওতের আকীদা অস্বীকারকারীও নিঃসন্দেহে কাফের। সিদ্দীকে আকবর রা.এর যামানা থেকে আজ পর্যন্ত সকল উম্মতের এ ব্যাপারে একমত যে, নবীজীর পর নতুন নবুওতের দাবী উত্থাপনকারী এবং সেই দাবী কবুল করে তার উপর ঈমান আনয়নকারী কেউই মুসলমান নয়। যদি কেউ মুসলমান হওয়ার পর খতমে নবুওয়াত অস্বীকার করে, তাহলে সে ইসলাম থেকে খারেজ হয়ে যাবে এবং মুরতাদ ও ধর্মদ্রোহী সাব্যস্ত হবে।

মাওলানা নিজামপুরী আরো বলেন, ইদানিং কাদিয়ানীদের দুঃসাহস বেড়েই চলছে। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার লক্ষ্যে মুসলমানদের উপর কর্তৃত্ব খাটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। গতক'দিন আগে বি-বাড়িয়াতে কাফের কাদিয়ানীরা বিনা উস্কানীতে কওমী মাদরাসার নিরিহ ছাত্র ও আলেমদের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

আমরা দীর্ঘদিন ধরে সুশৃঙ্খল ভাবে আকিদায়ে খতমে নবুওয়াত নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছি। আমাদের আন্দোলনে কখনো কোন ধরনের উশৃংখলা- বিশৃঙ্খলা বা ভাংচুর হয়নি।

গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ইংরেজদের খুশি করতে যে ভাবে মুসলমানদের উপর উঠে পড়ে লেগেছিল তদ্রূপ বর্তমান তার ভ্রান্ত অনুসারীরাও ইহুদী-খৃস্টানদের খুশি করতে মুসলমানদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমরা সরকারের প্রতি বিনীত আহবান জানাচ্ছি অনতিবিলম্বে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয় ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করুন। অন্যথায় পুরো দেশ উত্তপ্ত ও তৌহিদী জনতাকে নিয়ে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ