সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ভোট দিতে কেউ বাধা দিলে সে শেখ হাসিনা হয়ে যাবে: আসিফ নজরুল বক্তৃতা চলাকালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জামায়াতের জেলা আমির মাওলানা মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে হাতপাখার বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ’ ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য  জয়-পরাজয়ের হিসাব নয়, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন: শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯ বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন সার উপহার দিল রাশিয়া হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে শোকজ

মাদরাসা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মাদরাসা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কালাম তালুকদার আজাদসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজাপুরের কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। মাদরাসার নিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যক্ষ মাওলানা অলিউল্লাহ।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাদরাসা শিক্ষককে মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে। অধ্যক্ষ বাদী হয়ে যুবদল নেতা নাজমুল হুদা চমন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি তালুকদার আবুল কালাম, উপাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম এবং প্রভাষক শাহিন হাওলাদারসহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।’

অভিযোগকারী মাওলানা অলিউল্লাহ বলেন, ‘মাদরাসার একটি নিয়োগ পরীক্ষায় অফিস সহকারী পদে প্রথম হওয়া হাফিজুরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই পরীক্ষায় যুবদল নেতা চমনের স্ত্রী মরিয়ম যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। চমন তার স্ত্রীকে নিয়োগ দিতে চাপ দিতে থাকে। এ নিয়ে চমন ঝালকাঠির রাজাপুর সহকারী আদালতে একটি মামলাও (নং ৯২/১৯) করে। আদালত সেই মামলা খারিজ করে দেয়। তাই সে তার লোকজন এবং মামা আবুল কালামকে নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটায়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোবাশ্বের হোসেন এবং এবতেদায়ি প্রধান সাইদুর রহমান আহত হন।’

এদিকে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি এই মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি ছিলাম। ৪-৫ মাস আগে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করি। সেই পদত্যাগপত্রের রেজুলেশনে স্বাক্ষর নিতে গেলে শিক্ষকরা অধ্যক্ষের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে অধ্যক্ষের ঝামেলা হয়। আমি খবর শুনে ঘটনাস্থলে যাই। মারধরের ঘটনায় আমি জড়িত নই।’

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর বলেন, ‘আবুল কালামের মতো একজন অভিজ্ঞ লোক এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আমার মনে হয় না। তারপরও যদি সে এই ঘটনায় জড়িত থাকে, তাহলে আমি এর নিন্দা জানাই।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ