সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামায়াতের আরেক প্রার্থীর বিতর্কিত মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় জুলাই আন্দোলনে দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট টেকনাফে গুলিবিদ্ধ আফরানকে চমেকে ভর্তি, অবস্থা আশঙ্কাজনক খালেদা জিয়া নোবেলের দাবিদার, আওয়াজ তুলতে হবে: মুফতি মনির কাসেমী রাজধানীর কাকরাইলে চলন্ত মাইক্রোবাসে আগুন নির্বাচনের পর কী করবেন প্রধান উপদেষ্টা, নিজেই জানালেন ৩ পরিকল্পনা জুলাই গণহত্যা মামলায় প্রথম একজনকে জামিন দিলো ট্রাইব্যুনাল হজ ফ্লাইট শুরু ১৮ এপ্রিল, মানতে হবে নতুন নির্দেশনা ‘ওয়ান বক্স পলিসি’র রূপকার পীর সাহেব চরমোনাই দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী বৈধতা পেলেন

সংসদে ৮২৩৮ জন ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাতীয় সংসদে ৮ হাজার ২৩৮ জন ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ১০৭ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত ঋণখেলাপির তালিকা সংসদে উত্থাপন করেন। সেই তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে কে কত টাকা ঋণখেলাপি।

অর্থমন্ত্রী টাঙ্গাইল-৬ আসনের এমপি আহসানুল ইসলাম টিটুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত সিআইবি ডাটাবেজে রক্ষিত ২০১৯ সালের নভেম্বরভিত্তিক হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৬ হাজার ৯৮৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। পরিশোধিত ঋণের পরিমাণ ২৫ হাজার ৮৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকা।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রৈমাসিক তথ্য অনুযায়ী ২৫টি ব্যাংকের পরিচালকরা নিউ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। তাদের গৃহীত ঋণের বকেয়া স্থিতির পরিমাণ ১ হাজার ৬১৪ কোটি ৭৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা, যা মোট ঋণের ০ দশমিক ১৬৬৬ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যাংকের পরিচালকরা নিজ ব্যাংক ব্যতীত অন্য ৫৫টি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। তাদের গৃহীত ঋণের উপস্থিতির পরিমাণ ১ লাখ ৭১ হাজার ৬১৬ কোটি ১২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, যা ব্যাংকসমূহের মোট প্রদেয় ঋণের ১১ দশমিক ২১ শতাংশ।

সরকারি দলের সদস্য মুহা. হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষুদ্র ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার ২৪ শতাংশ। ইতোপূর্বে বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক অধিক সুদে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা থাকলেও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আইন-২০০৬ এর আওতায় সরকার কর্তৃক এমআরএ প্রতিষ্ঠানের পর হতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ব্যয়, প্রশাসনিক ব্যয়, ঋণ ক্ষতি সঞ্চিতি ও প্রফিট মার্জিন ইত্যাদি পর্যালোচনা এবং সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করে ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ