শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ।। ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোববার থেকে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন শুরু, জেনে নিন নিয়ম ‘ইসরায়েলকে কোনো শর্ত ছাড়াই লেবানন ছাড়তে হবে’ ‘বিশ্ব পরিস্থিতি যেদিকেই যাক, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব বজায় রাখবে’ চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর ‘১৭ সমঝোতা’ স্মারকে স্বাক্ষর হরমুজ থেকে ৪ হাজার কোটি ডলার বাৎসরিক টোল করবে ইরান ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লক্ষ্মীপুরে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত   সাবেক নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ছাত্র জমিয়তের প্রতিবাদ বেনজীরকে ফেরাতে দুবাইয়ের জবাবের অপেক্ষায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী আন্দোলনের শূরার বৈঠক কাল, মহাসচিব পদে আসতে পারে পরিবর্তন

শিশু ধর্ষণের শাস্তি কেন মৃত্যুদণ্ড নয়: হাইকোর্টের রুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনায় কারও মৃত্যু হলে সেক্ষেত্রে আইনে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি যাবজ্জীবনের সাজার যে বিধান রয়েছে, সেই যাবজ্জীবন সাজা উঠিয়ে দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আজ রোববার এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ রুলটি জারি করেন।

এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাবিয়া ভূঁইয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগে গত সপ্তাহে ধর্ষণের জন্য পৃথক পৃথক নির্দেশনা চেয়ে এই রিট দায়ের করা হয়। রিটকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার রাবিয়া ভূঁইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।

আদালত ধর্ষণের শিকার ভিকটিমদের জন্য সাক্ষী সুরক্ষা আইন কেন প্রণয়ন করা হবে না, ধর্ষকদের ডিএনএ সংরক্ষণের জন্য কেন ডিএনএ ডাটাবেজ করা হবে না, প্রতিটি জেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে ভিকটিমদের সুরক্ষায় কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, ভিকটিমদের ছবি গণমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে কেন সতর্কতা অবলম্বন করা হবে না, সবধরনের ধর্ষণের অপরাধের জন্য কেন পৃথক একটি আদালত গঠন করা হবে না এবং সেই আদালতে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না— তাও জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। আইন মন্ত্রণালয়সহ মামলার সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এসব রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া, সারাদেশে ধর্ষণ প্রতিরোধে একটি কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামি এক মাসের মধ্যে কমিশন গঠন করে ধর্ষণের মূল কারণ ও প্রতিকার বের করার নির্দেশ দেয়া হয়। এতে সুপরিচিত মানবাধিকার সংগঠনের কর্মী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী, আইনজীবী, বিচারক, সমাজের সচেতন নাগরিক, সমাজের বিশিষ্টজন, ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষাকরণ চিকিৎসক ও চাইলে ভিকটিমকে যুক্ত করে ওই কমিশন গঠন করতে পারবেন বলে নির্দেশ দেন আদালত।

তবে সাক্ষী সুরক্ষা আইনও বিবেচনায় নিতে হবে কমিশনকে। ভিকটিমের ছবি যেন গনমাধ্যমে না আসে সে বিষযে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আসামির নিউজ যেন ভালোভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।

পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে ধর্ষণ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে একটি সুপারিশমালা তৈরি করে আদালতে প্রতিবেদন আকারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ধর্ষনের ঘটনায় ঢাবি শিক্ষার্থীর আসামীকে দ্রুত গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহীনী, তবে সাধারণ মানুষ হলে আসামি ধরতে সময় লাগে কেন বলেও মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ