শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে আসছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ দুই পবিত্র মসজিদ নিয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান, বিজয়ীদের মিলবে নগদ পুরস্কার

মোদি-অমিত আমাকে বলেছেন, কাশ্মীর ইস্যুকে সমর্থন করলে জালিয়াতির মামলা তুলে নিবে:‌ জাকির নায়েক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কাশ্মীর ইস্যুতে সমর্থন চেয়েছিলেন মোদি-অমিত শাহরা। সমর্থন করলে সমস্ত আর্থিক তছরুপের মামলা তুলে নেওয়া হবে বলে অভিযোগ করেছেন ডাক্তার জাকির নায়েক।

সূত্রমতে জানা যায়, গত বছর আগস্ট মাসে কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ তুলে নিয়েছে বিজেপি সরকার। উপত্যককে বিশেষ মর্যাদা দিত অনুচ্ছেদ ৩৭০। সেই সময়ে জাকির নায়েকের সমর্থন চেয়েছিল মোদি সরকার।

জাকির নায়েক আরো জানান, কাশ্মীর নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানকে তিনি সমর্থন করলে, তার বিরুদ্ধে থাকা যাবতীয় মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এই মর্মে একটি প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছ থেকে তিনি পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

এ ইসলামিক প্রচারকের আরও দাবি করে বলেন, উত্তর ভারত নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানে সহমত হলে, তার দেশে ফিরে আসতেও সমস্যা হবে না।

যদিও তিনি কেন্দ্রের সঙ্গে এ ধরনের কোনও সমঝোতায় যাননি বলেই জানিয়েছেন। ‌ভিডিও বার্তায় ডক্টর নায়েক জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হয়ে তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের লোকেরা যোগাযোগ করেছিলেন।

তারা তাকে বলেন, মুসলিম দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে কেন্দ্র তাকে কাজে লাগাতে চায়। জাকির নায়েকের কথায়, প্রথম আমি বলেছিলাম, কোরান ও সুন্নাহর বিরোধী নয়, এমন যা-কিছু করতে আমি প্রস্তুত।

কিন্তু যখন শুনলাম কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে আমায় সমর্থন জানাতে হবে, পত্রপাঠ আমি খারিজ করে দিই। জাকিরের কথায়, কাশ্মীর নিয়ে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তই তো অসাংবিধানিক।

ইসলামিক এই প্রচারক মনে করেন, ভারতের কোনও মুসলিম নেতা স্বেচ্ছায় সিএএ বা এনআরসিকে সমর্থন করবেন না। ভয় দেখিয়ে বা হুমকি দিয়ে তাদের থেকে সমর্থন আদায় করা হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ