মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭


আল আওদাহকে নিয়ে ফের বিতর্ক; বিন সালমানকেও ছাড়লেন না আওদাহ পুত্র

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দুই বছর যাবত সৌদি কারাগারে বন্দী দেশটির বিশিষ্ট ধর্মীয় স্কলার ও প্রখ্যাত দাঈ শায়খ সালমান আল আওদাহ ফের আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি সৌদি আরবের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশ্নপত্রে প্রথিতযশা এই আলেমকে বিকৃত চিন্তার ধারক আখ্যা দেয়ায় এই আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।

আল জাজিরা আরবির একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, আর এতেই ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশ্নকর্তার একহাত নিয়েছেন সোস্যাল মিডিয়ার এক্টিভিস্টগণ। ইতিমধ্যে ফেসবুক টুইটারসহ অনলাইন মিডিয়ায় রিয়াদের ওই প্রতিষ্ঠান কতৃপক্ষের ওপর রীতিমতো নিন্দার ঝড় শুরু হয়েছে।

এই ঘটনায় পিতার পক্ষ নিয়ে শায়খ সালমান আল আওদাহর পুত্র আব্দুল্লাহ আওদাহও মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, তার পিতা যদি বিকৃত চিন্তার ধারক হতেন, তাহলে গ্রেফতারের কিছুদিন আগপর্যন্ত মাঝেমধ্যেই ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন সালমান তার থেকে পরামর্শ নিতে যেতেন না।

আল জাজিরার বিস্তারিত খবরে বলা হয়, রাজধানী রিয়াদের বেসরকারি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক স্তরের কোন এক শ্রেনীর প্রশ্নপত্রে সালমান আল আওদাহকে বিকৃত চিন্তার ধারক আখ্যা দেয়া হলে সর্বমহলে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। আর এতে সৌদি শিক্ষামন্ত্রণালয়ও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে। ফলশ্রুতিতে এর সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেয় তারা। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, প্রশ্নকর্তা শিক্ষক আদতে সৌদি নাগরিক নন বলেই এই কান্ড ঘটিয়েছেন।

বিশ্লেষকগণ মন্তব্য করেছেন, সালমান আল আওদাহ বন্দী হলেও এখনো তার বিচার প্রক্রিয়া চলমান, সুতরাং তাকে নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিৎ হয়নি।

এদিকে আজ মঙ্গলবার রিয়াদের একটি বিশেষায়িত ফৌজদারি আদালতে সালমান আল আওদাহর মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সালমান আল আওদাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সিএনএন জানিয়েছে, রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা তার মৃত্যুদণ্ড চাইছেন।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, আওদার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিতেই এই বিচার করা হচ্ছে।

আল জাজিরা মুবাশির আরবি অবলম্বনে বেলায়েত হুসাইন

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ