সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেতন ছাড়ের দাবিতে আমরণ অনশনে ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা সড়ক প্রশস্তকরণে ভারতে মসজিদ ভাঙন, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ‘যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কাজ করছে ১১০ প্রতিষ্ঠান’  কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ

নাগরিকত্ব বিল: ভারতে এক মঞ্চে হিন্দু মুসলিম শিখ খ্রিস্টান নেতারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ভারতের ‍লুধিয়ানায় হিন্দু মুসলিম খ্রিস্টান ও দলিতদের এক বৈঠক থেকে নাগরিকত্বক বিল প্রত্যাখ্যানের দাবি ওঠেছে।

ডেইলি তাসির জানায়, লুধিয়ানার ঐতিহাসিক জামে মসজিদে হিন্দু মুসলিম খ্রিস্টান দলিত নেতাদের এক জরুরি বৈঠক থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার তারা এ দাবি জানান।

সূত্র জানায়, ভারতের মজলিসে আহরারে ইসলামের ডাকা এ জরুরি বৈঠকে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় হিন্দু মুসলিম খ্রিস্টান দলিত নেতারা।

গুরুদ্বার দুখ নরন, পার্ধান সিংহ, আদি ধর্ম সমাজের সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান লুধিয়ানীসহ আরো বড় বড় নেতারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, হিন্দুদের নেতা নীতা শ্রী রাজ কুমার আট্টেক, শ্রী পারমিন্দার কুমার মেহতা, কালভেরী গির্জার যাজক শ্রী রাম লাল মসিহ এবং সন্দেব মসিহ, জেদার কিলপ্রীত সিং।

নেতারা বলেন, আজ আমরা ভারতের সব ধর্মের লোকেরা এখানে একিত্র হয়ে ভারত সরকারকে এ বার্তা দিতে চাচ্ছি, যে আমরা কোনো ধর্মের মুনষই এনআরসি আর সিএএ (নাগরিকত্ব বিল) মানি না। আমরা মানবো না। লুধিয়ানার শাহী মসজিদের ইমাম বলেন, দেশজুড়ে সিএএ এবং এনআরসি বিরুদ্ধে আন্দোলন কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের ভুল নীতির বিরুদ্ধে আমাদের এ আন্দোলন। সারা দেশ জুড়ে আজ এ ভুল নীতির বিক্ষোভ চলছে, এতে সকল ধর্মের মানুষ জড়িত রয়েছে।

শিখনেতা সরদার পাটপাল সিং বলেন, যে শিখরা জাতীয় নাগরিকত্ব বিলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তবে আমরা তাতে সন্তুষ্ট নই। কারণ আমাদের গুরুরা বলেছেন, মুসলমানদের এই আইন থেকে বাদ দেওয়া কীভাবে সম্ভব, আমরা এই আইনের তীব্র বিরোধিতা করি।

হিন্দু সমাজের নেতা সিভি শ্রী হরমান্দার মেহতা বলেন, এ দেশ আমাদের সকলের। যদি তিনটি দেশের হিন্দু শিখ শরণার্থী থাকে তবে অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ থেকে মুসলিম শরণার্থীরা এসেছেন। অন্যদের নাগরিকত্ব দিলে মুসলিমরা কী দোষ করেছে।

সিএনআই ক্যালভারি চার্চের যাজক শ্রী রাম লাল মসিহ বলেন, এ বিলে ঘৃণার গন্ধ পাওয়া যায়। সরকার মুসলমানদেরও অন্যদের মত সমান অধিকার দেয়া উচিত।

যাজক বলেন, ক্ষমতার জোরে এই বিলের আওতায় মুসলমানদের আজ বাদ দেওয়া হচ্ছে এর কোন গ্যারান্টি আছে কি? আগামীকাল অন্য কোনো ধর্মের লোকদের নাগরিকত্ব বাতিল করবে না? তাই সময় থাকতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন দরকার।

তাসির ডটকম থেকে আবদুল্লাহ তামিমের অনুবাদ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ