বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাদার ছায়া, চাচার ভালোবাসা এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছেলে-মেয়েদের আলাদা ক্লাসরুম চালুর দাবি ছাত্র জমিয়তের কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু চা শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পরিবহনের পাশাপাশি সর্বক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জ্বালানি সংকট সমাধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাতারে প্রতিনিধি দল ‘রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতির পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়’ দেশের ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইসলামপন্থীরা নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্নীতিবাজরা জনপ্রতিনিধি হবে: আমিরে মজলিস

মির্জা ফখরুলের বাবা রাজাকার ছিলেন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা মির্জা রুহুল আমিন রাজাকার ছিলেন।

আজ মঙ্গলবার দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই বিজয়ের মাসে ৪৮ বছরের আকাঙ্ক্ষিত ১১ হাজার রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের তালিকা প্রণয়ন করেছে। ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতাবিরোধী সকল রাজাকারের তালিকাও প্রকাশ করা হবে।

কিন্তু বিজয়ের উষালগ্নে দেশের জনগণ যখন শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, তখন এসব রাজাকার, জঙ্গিবাদের আশ্রয়দাতা বিএনপি অন্য কথা বলছে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিজয় দিবসে রাজাকারদের তালিকা নিয়ে বলেছেন, এই তালিকা নাকি তাদের দলটিকে হেনস্থা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তাহলে তিনি কি মেনে নিলেন যে, তাদের দল রাজাকার দ্বারা পরিচালিত হয়।

খালিদ মাহমুদ আরো বলেন, তবে এদিকে এটাও সত্য যে মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ছিলেন। বিএনপি মহাসচিব সেই রক্তেরই উত্তরাধিকার। তাই তার মুখ থেকে এই ধরনের কথা বের হবে এটাই স্বাভাবিক।

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য যারা জীবন দিয়ে এ স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরি করে গেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব আওয়ামী লীগ তাদের প্রতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জীবন দিয়ে হলেও তারা পূর্বসূরীদের রক্তের ঋণ শোধ করবেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, এই বাংলার মাটিতে কোথাও কোন যুদ্ধাপরাধীর ঠাঁই হবে না।

দেশের কোথাও স্বাধীনতাবিরোধীরা রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না। দেশের জনগণ তাদের গ্রহণ করবে না। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ তারা তৈরি করবেন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ