আওয়ার ইসলাম: নাগরিকত্ব বিলে উত্তাল ভরত। ধর্মের ভিত্তিতে তৈরি ভারতের এ নতুন নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
আজ সোমবার দেশটির বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি-বেসরকারি শত শত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ ও দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংঘর্ষে কয়েকশ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
চারদিন কেটে গেলেও এখনও অশান্ত পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বলছে প্রতিবাদের আগুন। অবরোধ, বিক্ষোভে উত্তাল বাংলা। সবথেকে ক্ষতি হচ্ছে রেলে। একের পর এক স্টেশনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা। জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে রেলের বগি। ছাড়া হচ্ছে না কিছুই। এই অবস্থায় একের পর এক ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
শুধু সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নয়, ব্যাপক ক্ষতি ভারতীয় রেলেও। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে রেলে। যদিও এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়াতে চায় না রেল। আর তাই রাজ্যের স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল রেল।
ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত ৮ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছেছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্টেশনে সেই বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার থেকেই বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্টেশনে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডবে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মালদহের হরিশচন্দ্রপুর, ভালুকা রোড স্টেশন। সম্পূর্ণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে স্টেশন দুটি। সিগন্যাল ব্যবস্থা কাজ করছে না। ফলে কোনও উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন যেতে পারছে না।
রোববারই মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন স্টেশনে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এবার রাজ্যের বিভিন্ন স্টেশনে বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ।
-এটি