শনিবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :

‘ন ডরাই’ ছবির ছাড়পত্র বাতিলের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘ন ডরাই’ চলচ্চিত্রে আয়েশা রা. এর চরিত্রকে কলঙ্কিত করা হয়েছে অভিযোগ তুলে এর ছাড়পত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি হজরত আয়েশা সিদ্দিকা রা. এর মতো একজন মহিয়সী নারীকে সেক্স সিম্বল নায়িকার নাম ভুমিকায় দেখিয়ে নির্মিত ‘ন ডরাই’ চলচ্চিত্র নির্মাণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, অশ্লীল নাচ-গান ও দেহবল্লরী প্রদর্শন সম্বলিত ছায়াছবি ‘ন ডরাই’ প্রদর্শনের অনুমতিদানও অমার্জনীয় অপরাধ। চলচ্চিত্রের ওয়াচ ডগ সেন্সর বোর্ড যৌন ভাবোদ্দীপক অপতৎপরতা ও নগ্ন বীভৎসতায় পরিপূর্ণ চলচ্চিত্রটির ছাড়পত্র দেয়ায় এদেশের তৌহিদী জনতা বিস্ময়ে হতাশ, হতবাক ও ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, ছবিটির ‘ন ডরাই’ নামকরণও ঔদ্ধত্যপূর্ণ। ছবিটিতে পর্ণগ্রাফী সংস্কৃতি ধারণ, চর্চা ও অনুশীলন করা হয়েছে। নগ্নাশ্রয়ীতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এই ছায়াছবিটির নায়িকা একজন নারী ও মানবী হিসেবে জীবনের মূল্য বিলক্ষণ বিস্মৃত হয়ে গেছে। নায়িকাকে পুরুষদের সাথে সাদৃশ্য স্থাপনের এবং তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে দেখা যায় বলে প্রকাশিত খবরে জানা যায়। যা আমাদের মতো রক্ষণশীল দেশের জাতীয় আদর্শ, ঐতিহ্য রীতি-নীতি ও সংস্কৃতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এবং সুস্থ রুচির জন্য পীড়াদায়ক।

প্রিন্সিপাল ইউনুছ আহমাদ বলেন, পাশ্চাত্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক অনৈসলামীকরণ প্রক্রিয়ার সাথে স¤পৃক্ত মুসলমান নামধারী এক শ্রেণির মানুষ পাশ্চাত্যের ইসলামবিরোধী শক্তির ক্রীড়নকে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে ইসলামের ব্যানারে তৌহিদী জনতার অভূতপূর্ব জাগরণে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের যে শিরঃপীড়ার কারণ হয়ে দাঁঁিড়য়েছে, এব্যাপারে সচেতন মানসে আর কোন সংশয় নেই । কারণ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে অনড় অবস্থানের কারণেই আজ ইসলামেকেই শেষ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত সম্বলিত বল্গাহীন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ব্যাঙ্গাত্মক, অবমাননাকর, অশোভনও উস্কানিমূলক ”ন ডরাই” ছবিটির ছাড়পত্র প্রত্যাহার এবং এই উদ্দেশ্যমূলক ছবিটি নির্মাণের সাথে সম্পৃক্ত প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার পরিচালককে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তিনি চলচ্চিত্রটি প্রদর্শন না করার জন্যেও প্রেক্ষাগৃহ মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, জনগণের লালিত ও ধারণকৃত ধর্মীয় চিন্তা-চেতনা, চিরায়ত মূল্যবোধ পরিপন্থি ছবির স্ক্রিপ্ট দেখে এবং ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার জন্যে কলা-কুশলীদের প্রতি আহ্বান জানান। -বিবৃতি।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ