বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাদার ছায়া, চাচার ভালোবাসা এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছেলে-মেয়েদের আলাদা ক্লাসরুম চালুর দাবি ছাত্র জমিয়তের কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু চা শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পরিবহনের পাশাপাশি সর্বক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জ্বালানি সংকট সমাধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাতারে প্রতিনিধি দল ‘রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতির পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়’ দেশের ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইসলামপন্থীরা নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্নীতিবাজরা জনপ্রতিনিধি হবে: আমিরে মজলিস

কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে ফেরেনি ছোট্ট মহিমার মা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সিলেটে মাজার জিয়ারত শেষে সোমবার রাতে মা ও দাদীর সঙ্গে উদয়ন এক্সপ্রেসে করে চাঁদপুরে বাড়িতে ফিরছিল শিশুটি।

পথে ঘুমের মধ্যেই তার সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ও দাদীকে হারিয়ে ফেলে সে।

আজ মঙ্গলবার সকালে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান উদ্ধারকারীরা। মাথায় ব্যান্ডেজ লাগিয়ে শিশুটির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন নার্স।

কিন্তু শিশুটি শুধুই কাঁদতে থাকে। তারা কান্না দেখে হাসপাতালের ছুটে আসেন অনেকে। আসেন গণমাধ্যমকর্মীরাও। শিশুটির স্বজনদের খোঁজার আহ্বান জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন।

শিশুটির ছবি তুলে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। পরে দুপুর দেড়টার দিকে শিশুটির স্বজনদের পাওয়া যায়। হাসপাতালে ছুটে আসেন তার ফুফু আয়েশা বেগম ও দাদা মোহাম্মদ আলী। তাদের কাছে জানা যায়, তিন বছর বয়সের মাহিমার বাড়ি চাঁদপুর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন বলেন, ‘মাথায় আঘাত নিয়ে শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হয়। এছাড়া তার ঠাণ্ডাজনিত কিছু সমস্যাও আছে। সবার প্রচেষ্টায় তার স্বজনদের পেয়ে উৎকণ্ঠা কেটে গেছে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ