মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

টাকার বান্ডিলে ঘুমিয়ে থাকা ডিবির সেই এসআই ক্লোজড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: টাকার বান্ডিলের ওপর ঘুমিয়ে থাকাসহ বেশ কিছু কারণে আলোচিত ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুর রহমানকে অবশেষে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। জেলা পুলিশ প্রশাসন কর্তৃপক্ষ তাকে ডিবি থেকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করেছে।

রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রশাসনিক কারণে এসআই আরিফ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। টাকার উৎসের সঠিক তথ্য উপস্থাপন না করতে পারলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভিন্ন সময় নানা ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া এ পুলিশ কর্মকর্তাকে সর্বশেষ গত সপ্তাহে গাড়ির ভেতরে টাকার বান্ডিলের ওপর বসে ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যায়। এ ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হলে তাকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পুলিশ প্রশাসন।

যদিও জেলা পুলিশ প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, প্রশাসনিক কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে জেলা পুলিশেরই একটি সূত্র জানিয়েছে, টাকার বান্ডিলের ওপর ঘুমিয়ে থাকার ঘটনায় যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল তার জের ধরে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার একটি মাইক্রোবাসের মধ্যে বেশ কিছু টাকার বান্ডিলের ওপর ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যায় এসআই আরিফকে। এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে সমালোচনা হয়।

তবে এসআই আরিফের দাবি, ওই টাকা তার বৈধ উপায়ে আয় করা এবং ঘটনাটি পাঁচ মাস আগের। তিনি জানান , ওই টাকা বৈধ উপায়ে আয় করা। সে সময় তার মা অসুস্থ ছিলেন। মূলত সেজন্যই ১ লাখ ২০ হাজার টাকা তিনি একজনের কাছ থেকে ধার নিয়েছিলেন। তিনি নিজেও সেদিন অসুস্থ ও চিন্তিত ছিলেন। ওই সময় গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়লে কেউ ছবি তুলে ছড়িয়ে দেয়।

জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, টাকাটা বৈধ না অবৈধ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি টাকার পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ