আওয়ার ইসলাম: গত বছরের এপ্রিলে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ডেরা ইসমাইল খানের গোমাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার কর্মশালায় ভর্তি হওয়ার সময় সাবিহা শেখ তার বোরকা ও নেকাব নিয়ে কিছুই ভাবেনি। বোরকা পরা মেয়েরা সাংবাদিকতা করবে বিষয়টা শিক্ষকরা ভালো চোখে দেখে না।
শিক্ষকদের একটি বক্তব্য হলো, বোরকা পরা মেয়েরা ভাল সাংবাদিক হতে পারে না, সাবিহা শেখকে তার শিক্ষরা প্রশ্ন করেন, তুমি বোরকা পরে কিভাবে সাংবাদিকতা করবে। পশ্চিমে অনেকে বোরকাকে খারাপ চোখে দেখে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করতে তোমাকে মানুষের কথা শুনতে হবে।
তখন সাবিহা শেখ শিক্ষকদের ভদ্রভাবে জবাব দেয়, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি শুধু একজন ভাল সাংবাদিকই হব না, আমি বোরকা পরা মেয়েদের মডেল হবো। পেশাদার সাংবাদিক হতে বোরকা পরা মেয়েদের জন্য আমি একটি প্ল্যাটফর্মও স্থাপন করব।
২০১৮ সালের মে মাসে সাবিহা শেখ তার বন্ধু, সহপাঠি ও সাংবাদিকতায় স্নাতক সামিরা লতিফকে সঙ্গে নিয়ে বোরকা জার্নালিস্ট গঠন করেন। এ আইডিয়াটি তাদের জন্য সহায়ক হবে যারা রক্ষণশীল মুসলিম পরিবার থেকে এ সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করতে চায়।

বোরকা পরা মেয়েদের স্বপ্ন পূরণে সাবিহা শেখ এগিয়ে এসেছেন। আর এ পেশায় স্বপ্ন পূরণ করতে বোরকা পরা মেয়েরা ছুটে আসছে তার কাছে।
আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ একটি সামাজিক রক্ষণশীল অঞ্চল, মুসলিমদের বসবাস এখানে। এ অঞ্চলের নারীরা মুসলিম হিসেবে ইসলামের বিধান পর্দা মেনে চলেন। বোরকা পরিধান করেন।
বেশিরভাগ মেয়েরাই তাদের মুখ ডেকে ঘর থেকে বের হয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে জানা যায়, এ এলাকায় নারীরা অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হোন। তাদের জন্য আলাদা শিক্ষালয় না থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে পড়াশোনা করার অনুমতি দেয় না বলে তারা পড়াশোনা করতে পারে না।
আবার পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কয়েকটি সংগঠন নারীদের শিক্ষাকে ইসলামবিরোধী মনে করে। তারা মেয়েদের যেনো শিক্ষা দিতে না পারে সেজন্য শত শত স্কুল ধ্বংস করে দিয়েছে।
এখন, সাবিহা শেখ ও লতিফা তাদের ক্যামেরার মাধ্যমে বোরকা পরা মেয়েদের জীবনের গল্পগুলো তুলে ধরছেন। খাইবার পাখতুনখোয়ার নারীদের সমস্যাগুলিও তুলে ধরছে।
সাবিহা শেখ এ বিষয়ে বলেন, আমরা ব