মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

৮০০ বছরের পুরনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ ইসরায়েলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইসরায়েলে মাটির তলায় লুকিয়ে রাখা ৮০০ বছরের পুরনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যোদ্ধাদের গোপন সদর দফতরেরও খোঁজ মিলেছে। এখন শুধু খোঁড়াখুঁড়ি করে সেই সম্পত্তি তুলে আনার অপেক্ষায় আছে দেশটি।

বিজ্ঞানীদের বরাতে জানা যায়, উন্নত প্রযুক্তির লেসার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সুড়ঙ্গের খোঁজ পাওয়া গেছে।

ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফিক চ্যানেলের বিজ্ঞানী লিন এবং তার দল সম্প্রতি এই খোঁজ পেয়েছেন। চ্যানেলে তা সম্প্রচারও করা হয়েছে।

লিন জানিয়েছেন, একাদশ শতকে ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরাইল শহর একরির নীচে খ্রিস্টান যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিলেন।ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরাইলের ওই শহরই ছিল যোদ্ধাদের সদর দফতর।

ইসরাইলে মাটির নীচে ৮০০ বছরের পুরনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ

সদর দফতর যাতে সহজে খুঁজে না পাওয়া যায়, তার জন্য একরি শহরের মাটির অনেকটা নীচে ওই সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল। গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে সদর দফতরে পৌঁছতেন যোদ্ধারা।এই সুড়ঙ্গ দিয়েই তারা যুদ্ধের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং সঙ্গে প্রচুর সোনা নিয়ে যেতেন।

কিন্তু অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, এই গোপন সুড়ঙ্গ সোনার মত মূল্যবান সম্পদ নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেনাদের লুকিয়ে থাকা এবং বিপদে পড়লে অন্যত্র পালাবার রাস্তা হিসাবেও ব্যবহার করা হত।এতদিন সেই সুড়ঙ্গ এবং সদর দফতরের কথা জানা থাকলেও, তার প্রকৃত অবস্থান জানা ছিল না।

তবে এই সুড়ঙ্গ মাটির ঠিক কতটা নীচে রয়েছে এবং তার বিস্তৃতি কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে তা জানার চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

ইসরাইলের একরি শহরে মাটির ওপরে থাকা খ্রিস্টান ধর্মযোদ্ধাদের সদর দফতরের ধ্বংসস্তূপ এখনও রয়েছে।

বিজ্ঞানীদের অনুমান, আরও ভালো করে খোঁড়াখুড়ি করলে ধর্মযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখা অনেক সোনা উদ্ধার করা যাবে মাটির নীচের ওই সদর দফতর এবং সুড়ঙ্গ থেকে। সূত্র: আনন্দবাজার

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ