মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সংশোধিত ফল প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সংশোধিত ফল রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে ভুলের কারণে স্থগিত হয়েছিলো।

নতুন ফলে আগে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকায় আরও ২ হাজার ৪৭৮ জন যোগ হয়েছেন। এতে এই ইউনিটে পাসের হারও ২ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়েছে।

পরীক্ষার এক মাস পর ২০ অক্টোবর ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলে ১১ হাজার ২০৭ জন পরীক্ষার্থী নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত উভয় অংশে সমন্বিতভাবে উত্তীর্ণ হন।

এই ইউনিটে এবার ১ হাজার ৭৯৫ আসনের বিপরীতে ৮৮ হাজার ৯৯৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। তবে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন ৮৫ হাজার ৮৭৯ জন। সেই ফলে পাসের হার ছিল ১৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

সেই ফলে গণিত অংশে অসামঞ্জস্যের অভিযোগ তুলে অভিভাবকদের অনেকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এ কারণে সেদিনই ফল স্থগিত করে ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষা কমিটি। পরে কমিটি জানতে পারে, পরীক্ষার গণিত অংশের একটি সেটের কোড ভুল হওয়ার কারণে ১৫-১৬ হাজার শিক্ষার্থীর গণিত অংশের ফল ভুল এসেছে। সেই ভুলটি পর্যালোচনা ও সংশোধনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে রোববার নতুন ফল প্রকাশ করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সংশোধিত ফলে পাসের হার ১৫ দশমিক ৯৩ ভাগ, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৮৫ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.du.ac.bd) এবং মোবাইল থেকে ম্যাসেজের মাধ্যমে ফল জানা যাচ্ছে।

সংশোধিত এই ফলে ‘বড় ধরনের কোনো ভুল নেই’ বলে আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ক’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক তোফায়েল আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘নতুন ফলে বড় ধরনের কোনো ভুল নেই। তবে টুকিটাকি কিছু ভুল থাকলেও থাকতে পারে। ছোটখাটো কোনো ভুল থাকলে তা পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগও আছে।’

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ২৮ অক্টোবর থেকে ১১ নভেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত ফরম ও ‘চয়েস ফরম’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে পূরণ করতে হবে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ২৮ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ