সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬ ।। ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
 ‘কৃষির উন্নয়ন হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ রাজধানীতে নারীদের পৃথক বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক পাড়ায় নিরাপত্তা জোরদার খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশের শোক ও সমবেদনা ফেনীতে দুই দিনের ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ‘মার্কিন-ইসরায়েলি বর্বরতা গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে অগ্নিগর্ভে পরিণত করবে’ বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল বাংলাদেশির  ‘বিরোধীদল থেকেই ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবে’ সৌদির সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা নিজ আসনে চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রুখতে হটলাইন চালু করলেন প্রতিমন্ত্রী

'বাণিজ্য যুদ্ধেও বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাণিজ্য যুদ্ধেও বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে সুন্দর সময় পার করছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে আমরা এখন অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে চলছি।

গতকাল বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারামন ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিথসুহিরো ফুরুসাওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গত দু’দশকের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৭ সালে সারা বিশ্বে যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল তাতে ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ এশিয়ার বেশ কিছু দেশ চরম অবস্থায় পতিত হয়। ২০০৮ সালের বিপর্যয়ে আমেরিকাসহ অনেক দেশে চরম অবস্থার সৃষ্টি হয়। কিন্তু তখনও আমাদের অর্থনীতি বিপর্যের সম্মুখীন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাবে সারাবিশ্বের অর্থনীতি নিম্নমুখী। বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাবে চীনের প্রবৃদ্ধি ১৪.৪ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে নেমে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ বাংলাদেশের অর্থনীতির ভূয়সী প্রশংসা করেছে। আমাদের অগ্রগতি দেখে তারা অভিভূত। অন্য দেশগুলোর কাছে আমাদেরকে তারা ইতিবাচক উপস্থাপন করেছে। আইএমএফ তাদের আউটলুকে বলেছে চলতি বছরের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

নতুন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে তিনি বলেন, ২০৩০ সাল নাগাদ ৩ কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে এবং তখন আর কর্মসংস্থানের অভাব থাকবে না। বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আইএমএফ’র দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্ট উয়িং শেফার এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, ভুটানের নির্বাহী পরিচালক অপর্ণা সুভ্রামনির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এর আগে তিনি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র বার্ষিক সভায় অংশ নেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ