মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

সংসদে ফের ৪ কোটি টাকার সিসি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সংসদ ভবন ও পুরো সংসদ এলাকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপের ভিত্তিতে ফের ৪ কোটি টাকার সিসি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ ভবনের সিসিটিভি সিস্টেমের সঙ্গে নতুন করে ৬০টি ক্যামেরা কেনা হচ্ছে। এসব ক্যামেরা স্থাপনের জন্য ক্যামেরা ও যন্ত্রপাতি কেনা এবং সংযোজনের প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়েছে তিন কোটি ৯২ লাখ ৯৮ হাজার ১৬৩ টাকা।

এ-সংক্রান্ত গঠিত কমিটির সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। কমিটির সদস্য হিসেবে সংসদের কর্মকর্তা, গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্য ও আইটি বিশেষজ্ঞ, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরা রয়েছেন। এ বিষয়ে কমিটি ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠকে করেছে।

ইতোমধ্যে কমিটি এ বিষয়ে একাধিক বৈঠক করেছে। বৈঠকে ব্যয় নিয়ে বাজারমূল্য পর্যালোচনা করা হয়। তবে এই বাজারমূল্য আরও যাচাই করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।

সূত্র থেকে জানা যায়, ‘কয়েক বছর ধরে দেশের অভ্যন্তরে অত্যধিক বজ্রপাতসহ ঝোড়ো হাওয়ার কারণে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি বিশেষ করে সিসিটিভিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য নতুন করে কেনা প্রতিটি সিসিটিভি ক্যামেরায় আরথিং সিস্টেম সংযোজনের বিষয়ে সুপারিশ করেছে কমিটি।’

বর্তমানে সংসদ ভবন এলাকায় ব্যবহৃত সব সিসিটিভি ক্যামেরা পিটিজেড সিস্টেম। এজন্য দূরত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিরূপণপূর্বক বুলেট সিস্টেমের সিসিটিভি ক্যামেরা সংযোজনের বিষয়ে সুপারিশ করে কমিটি। এ ক্ষেত্রে বেশি দূরত্বের জন্য পিটিজেড ক্যামেরা এবং কম দূরত্ব ও একপাশে ভিউ নেয়ার জন্য বুলেট ক্যামেরা ব্যবহারের সুপারিশ করে কমিটি।

ক্যামেরা ও এ-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি এবং লাগানোসহ মোট প্রাক্কলিক ব্যয় ধরা হয়েছে দুই কোটি ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ টাকা। তবে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী, এই পরিমাণ টাকার ওপর দরপত্র আহ্বানকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ১০ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন। এজন্য কন্ট্রাক্টরকে দিতে হবে ২২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪০ টাকা। এ ছাড়া ওভারহেড চার্জ, ভ্যাট ইত্যাদিসহ মোট প্রাক্কলিক ব্যয় ধরা হয়েছে তিন কোটি ৯২ লাখ ৯৮ হাজার ১৬৩ টাকা।

-ওএএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ