রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডিসি সরওয়ার আলমের প্রত্যাহার আদেশ বাতিলের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন, হরতালের হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু ‘জিয়াউলের নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল’  সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা ‘রামমূর্তি স্থাপনের অজুহাতে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে’ মামুনুল হক ইস্যুতে এবার নিজের বক্তব্যও এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার রাজধানীতে সারা দিনের ভ্যাপসা গরম শেষে স্বস্তির বৃষ্টি গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ২, হাসপাতালে ২২০ ‘আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার সচেষ্ট’ 

শত্রুতার জেরে চোখে টেস্টার ঢুকিয়ে অন্ধ করে দিলো যুবককে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শত্রুতার জেরে বেল্লাল হোসেন ওরফে মিলন (১৮) নামে এক যুবকের চোখে টেস্টার ঢুকিয়ে অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১০ নং গোড়াই ইউনিয়নের বানিয়ারচালা রাজাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আজ সোমবার মিলনের মা জাহানারা বেগম ও বড় বোন নাছরিন বলেন, বানিয়াচালা রাজাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মামুন (২৩), মাজেদ দেওয়ানের ছেলে আলামিন (১৯) ও দাড়িয়াপুর গ্রামের লুলু হোসেনের ছেলে কবির হোসেন (৩৫) গংদের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ ছিল। এ জন্য প্রতিশোধ নিতে মামুনের নেতৃত্বে মিলনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেন আসামিরা।

গত ১২ এপ্রিল বিকালে মামুন, আলামিন ও কবির মমিননগরে অবস্থিত নিউটেক্স গ্রুপের সামনে আলিম মুনসির বাসায় নিয়ে যান মিলনকে। বাসার ছাদে নিয়ে মিলনের হাত-পা বেঁধে প্রথমে টেস্টার ঢুকিয়ে দুটি চোখ অন্ধ করে দেন মামুন, আলামিন ও কবির। এরপর মিলনকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

মিলনের পরিবার আরো অভিযোগ করে বলে, সে সময় ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য আসামিরা মিলনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারকে ফোন করে জানায়, সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়েছে। আপনারা হাসপাতালে যান।

মিলনের পরিবার হাসপাতালে আসার আগেই তারা পালিয়ে যায়। মিলনের বাবা গিয়াস উদ্দিন, মা জাহানারা বেগম, বোন নাছিনসহ পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে জানতে পারেন, মিলনকে অন্ধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে মির্জাপুর থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পর আসামি মামুন ও আলামিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি কবির পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এসআই আরো জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আসামি পক্ষ ১০৭ ধারায় তিনটি মামলা করেছেন বাদীর বিরুদ্ধে। পুলিশ মিলনের পরিবারকে কোন হয়রানি করছে না বলে দাবি করেন তিনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ