রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড এমপিও দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষকদের মাঝে ছাত্র জমিয়তের পানি-স্যালাইন বিতরণ মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতার কথা ভাবছে না ট্রাম্প: ভারতীয় রাষ্ট্রদূত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতা করার কথা আর ভাবছেন না, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দশক পুরনো মার্কিন নীতিতে কাশ্মীর নিয়ে আমেরিকার মধ্যস্থতা করার কোন উল্লেখ নেই। বরং বলা আছে, এ বিষয়ে ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধানসূত্র খুঁজে বের করুক।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের মধ্যস্থতা করার তার প্রস্তাব গ্রহণের বিষয়টি ভারত এবং পাকিস্তান, উভয় দেশের উপরেই নির্ভরশীল। যেহেতু এই মধ্যস্থতার প্রস্তাব ভারত গ্রহণ করেনি, তাই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে এটি আর বিবেচনার মধ্যে নেই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত শ্রিংলা।

শ্রিংলা বলেন, যে কাশ্মীরের বিষয়ে আমেরিকার কোনও মধ্যস্থতা নীতি আগেও ছিল না। বরং দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশীকে কাশ্মীরসহ দ্বিপক্ষীয়ভাবে তাদের মতপার্থক্য নিরসনে উৎসাহিত করার কথাই বলা আছে মার্কিন নীতিতে। যা নিয়ে শুধুমাত্র নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যেই আলোচনা হবে।

আমেরিকার দশক পুরনো নীতির বিষয়টি উল্লেখ করে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিই ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘকালীন নীতি।

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজও এই বিষয়টি নিয়ে খুব স্পষ্ট অবস্থানে রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে হওয়া সিমলা চুক্তি এবং লাহোর ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। সুতরাং, এটি কোনও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মীমাংসা করার মতো ইস্যু নয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মরগান অর্টাগাস গত সপ্তাহেই বলেছিলেন, কাশ্মীরের বিষয়ে মার্কিন নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। আমেরিকা চায় ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে সরাসরি আলোচনায় বসুক ও নিজেদের মধ্যেকার মত পার্থক্য মেটাক।

এর আগে ২২ জুলাই হোয়াইট হাউসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকের পর দুই দেশের গণমাধ্যমের সামনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, নরেন্দ্র মোদি কাশ্মীর ইস্যুতে তার মধ্যস্থতা চেয়েছিলেন।

তৎক্ষণাৎ এ বিষয়টি উড়িয়ে ভারত জানায়, প্রধানমন্ত্রী মোদি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে এ জাতীয় কোনও অনুরোধ করেননি এবং কাশ্মীর ইস্যুটি ইসলামাবাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতেই ইচ্ছুক ভারত।

এক সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তান চাইলে কাশ্মীরের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে অবশ্যই হস্তক্ষেপ করবে আমেরিকা। কাশ্মীর ইস্যুটি সমাধান করা ভারত ও পাকিস্তানের বিষয়, তবে দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ যদি এ সমস্যা সমাধানে তার সহায়তা চায় তবে তিনি সেই সহায়তা করতে প্রস্তুত।

যদিও ভারত আমেরিকাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বিষয়ে যে কোনও আলোচনা হলে তা কেবলমাত্র পাকিস্তানের সঙ্গেই হবে এবং কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপে নয়, কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ