রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত: মির্জা ফখরুল গতানুগতিক শিক্ষার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবো’  ক্ষুধা-তৃষ্ণায় বিপন্ন গাজার লাখো মানুষ নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার কওমীপিডিয়ার তালিকায় দেশের শীর্ষ ৫ প্রভাবশালী আলেম আওয়ার ইসলামে শুরু হচ্ছে নিয়মিত আয়োজন ‘পেপসা নিবেদিত তারুণ্যের ভাবনা’ কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশনে ৯ দফা প্রস্তাব গৃহীত জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

'আমরা এখন কাশ্মীর থেকে মেয়ে আনব'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর বলেছেন, কাশ্মীরি মেয়েদের বাড়ির বউ করে আনতে সুবিধা হবে।

কাশ্মীরে আর্টিকেল ৩৭০ বিলুপ্ত করার ফলে কী সুবিধা হলো তা বোঝাতে গিয়ে গতকাল শুক্রবার হরিয়ানার ফতেহাবাদে ‘মেয়ে বাঁচাও’ কর্মসূচিতে খট্টর এই মন্তব্য করেন।

বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ওপি ধানকড় বলেন যে তিনি বিহার থেকে বউ নিয়ে আসবেন। আর আজকাল সবাই বলছে কাশ্মীরের রাস্তা ফাঁকা হয়েছে। এবার আমরা কাশ্মীর থেকে মেয়ে নিয়ে আসতে পারব।’

এর আগে মুজফ্ফরনগরের কাতাউলির বিধায়ক বিক্রম সিং সাইনি বলেছিন, দলীয় কর্মীরা এক্সাইটেড কারণ তারা এবার ফর্সা কাশ্মীরি মেয়েদের বিয়ে করতে পারবেন। বিজেপি বিধায়কের এই বক্তব্যের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাতাউলিতে সেলিব্রেশনে মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মীরা। সেখানে বক্তব্য পেশ করতে গিয়েই এই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

কাশ্মীর সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, ‘সেখানে নারীর ওপর কত অত্যাচার হতো। সেখানের মেয়েরা যদি উত্তরপ্রদেশের কাউকে বিয়ে করে নিত তাহলে তার নাগরিকত্ব শেষ হয়ে যেত। ভারতের নাগরিকত্ব আলাদা, কাশ্মীরের আলাদা। আর এখানে যে সব মুসলিম কর্মকর্তারা রয়েছেন, তাদের উচ্ছ্বসিত হওয়া উচিত। কাশ্মীরি মেয়েদের বিয়ে কর। এটা সমগ্র দেশের জন্য খুশির খবর।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ