রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড এমপিও দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষকদের মাঝে ছাত্র জমিয়তের পানি-স্যালাইন বিতরণ মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ৪৫ জনকে আটক করে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন স্পিকার কেন ঢেকে রাখা হয় কাবা শরিফ, কালো গিলাফের আড়ালে হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রাতে ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আদ্-দ্বীনে মারা যাওয়া প্রতি শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা: শিশির মনির

'আমরা এখন কাশ্মীর থেকে মেয়ে আনব'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর বলেছেন, কাশ্মীরি মেয়েদের বাড়ির বউ করে আনতে সুবিধা হবে।

কাশ্মীরে আর্টিকেল ৩৭০ বিলুপ্ত করার ফলে কী সুবিধা হলো তা বোঝাতে গিয়ে গতকাল শুক্রবার হরিয়ানার ফতেহাবাদে ‘মেয়ে বাঁচাও’ কর্মসূচিতে খট্টর এই মন্তব্য করেন।

বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ওপি ধানকড় বলেন যে তিনি বিহার থেকে বউ নিয়ে আসবেন। আর আজকাল সবাই বলছে কাশ্মীরের রাস্তা ফাঁকা হয়েছে। এবার আমরা কাশ্মীর থেকে মেয়ে নিয়ে আসতে পারব।’

এর আগে মুজফ্ফরনগরের কাতাউলির বিধায়ক বিক্রম সিং সাইনি বলেছিন, দলীয় কর্মীরা এক্সাইটেড কারণ তারা এবার ফর্সা কাশ্মীরি মেয়েদের বিয়ে করতে পারবেন। বিজেপি বিধায়কের এই বক্তব্যের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাতাউলিতে সেলিব্রেশনে মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মীরা। সেখানে বক্তব্য পেশ করতে গিয়েই এই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

কাশ্মীর সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, ‘সেখানে নারীর ওপর কত অত্যাচার হতো। সেখানের মেয়েরা যদি উত্তরপ্রদেশের কাউকে বিয়ে করে নিত তাহলে তার নাগরিকত্ব শেষ হয়ে যেত। ভারতের নাগরিকত্ব আলাদা, কাশ্মীরের আলাদা। আর এখানে যে সব মুসলিম কর্মকর্তারা রয়েছেন, তাদের উচ্ছ্বসিত হওয়া উচিত। কাশ্মীরি মেয়েদের বিয়ে কর। এটা সমগ্র দেশের জন্য খুশির খবর।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ