রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড এমপিও দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষকদের মাঝে ছাত্র জমিয়তের পানি-স্যালাইন বিতরণ মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ৪৫ জনকে আটক করে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন স্পিকার কেন ঢেকে রাখা হয় কাবা শরিফ, কালো গিলাফের আড়ালে হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রাতে ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আদ্-দ্বীনে মারা যাওয়া প্রতি শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা: শিশির মনির

১৫০ টাকায় ৪৪ হাজার মিনিট কথা বলার সুযোগ দিলো বিটিসিএল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কলরেট বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের সরকারি টেলিফোন সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। ল্যান্ডফোনে লাইন রেন্ট সিস্টেম বাতিল হয়েছে।

এছাড়া মাসে ১৫০ টাকায় বিটিসিএল অপারেট থেকে বিটিসিএল অপারেটরে যত ইচ্ছা তত কথা বলা যাবে। বিটিসিএল থেকে অন্য যে কোনো অপারেটরে ৫২ পয়সা মিনিট কলচার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৬ আগস্ট থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

আজ বুধবার (৭ আগস্ট) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে বিটিসিএলের কল রেট বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস এবং বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল মাহমুদসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আগে বিটিসিএল থেকে অন্য অপারেটরে কলরেট ছিল প্রতি মিনিট ৮০ পয়সা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ খরচ মিনিটে ২৮ পয়সা কমেছে।

বিটিসিএল থেকে বিটিসিএলে কলরেট সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৩০ পয়সা এবং বাকি সময় ১০ পয়সা। ১৫০ টাকায় আনলিমিটেড কথা বলার সুযোগ থাকায় আগের কলরেট প্রযোজ্য হবে না। বর্তমানে বিটিসিলের গ্রাহক সংখ্যা ছয় লাখ।

মন্ত্রী জানান, বিটিসিএলকে জনবান্ধব ও সেবামূলক করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ বিটিসিএলকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিকতা, নিষ্ঠা এবং সর্বোচ্চ সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান মন্ত্রী।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান জনবলকে আধুনিক প্রযুক্তি উপযোগী করে তৈরি, বিডি ডোমেইন নিবন্ধন ফি ও টেলিফোন সংযোগের ডিমান্ড নোট পদ্ধতি পরিবর্তন, গ্রাহক সেবা অটোমেশন করে বিটিসিএলকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে লাগসই কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’ অটোমেশন পদ্ধতিতে ঘরে বসেই যাতে গ্রাহকগণ যাতে সেবা পেতে পারেন সে বিষয়েও দিক-নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০২১ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশ ৫-জি প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করবে।’ শহর এবং গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য যেন না হয় সেই লক্ষ্যে দেশের ইউনিয়ন পর্যন্ত বিদ্যমান ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক ৫-জি উপযোগী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

দেশব্যাপী বিটিসিএল এর যে নেটওয়ার্ক রয়েছে তা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। মন্ত্রী বিটিসিএল এর সকল ফোন সচল রাখা ও সেবা প্রদানে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ