রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন স্পিকার কেন ঢেকে রাখা হয় কাবা শরিফ, কালো গিলাফের আড়ালে হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রাতে ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আদ্-দ্বীনে মারা যাওয়া প্রতি শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা: শিশির মনির আজ সংসদ খুব কালারফুল দেখাচ্ছে: স্পিকার খুতবার মাঝেই ফটোগ্রাফারদের সতর্ক করলেন মসজিদে নববির ইমাম মুরাদনগরে কওমি তরুণ ওলামা পরিষদের মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত গহরপুরী রহ. সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, এমপি এম এ মালেককে আলটিমেটাম রামিসা হত্যা মামলার রায়ের পর যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইন্ডিয়ায় মুসলমানদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কী?

এবার 'জয় শ্রীরাম' না বলায় তিনজন হাফেজে কুরআনকে মারধর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের গুজরাটের গোধরা এলাকায় জয় শ্রীরাম না বলায় উগ্রবাদী হিন্দুদের মারপিটের শিকার হয়েছে তিনজন হাফেজে কুরআন।

বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) রাতে মাদরাসার পাশে হিন্দু এলাকায় চা পানের উদ্দেশ্যে গেলে তারা মারপিটের শিকার হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়।

হামলার শিকার তিনজন হলো-  সামির ভগত , সাহেল ভগত এবং মোহাম্মদ সালমান।  স্থানীয় একটি মাদরাসায় হেফজ বিভাগের ছাত্র তারা।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে তারা তিনজন মাদরাসার ছুটি হলে বাড়ি যাওয়ার পথে হিন্দু এলাকার একটি দোকানে চা পান করতে যায়। সেখানে কয়েকজন উগ্রবাদী হিন্দু তাদের জয় শ্রীরাম বলতে জোর করে। ওই তিনজন হাফেজে কুরআন জয় শ্রীরাম না বলায় তাদেরবেধড়ক মারপিট করে হিন্দুরা।

হাফেজ সামির চোখে, সালমান মাথায় এবং সাহেল পেট ও পিঠে গুরুতর আঘাত পায়। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাদের।

হাফেজ সামিরের বাবা সিদ্দিক ভগত জানায়, ওই রাতে তারা বাড়ি ফিরছিল। মাঝপথে দুটি বাইকে ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয় তাদের থামিয়ে দেয়।  ‘শ্রীরাম' ধ্বনি দিতে বলে। তা না করতেই শুরু হয় মারধর। সামিরের কপালে সাইকেলের চেন দিয়ে আঘাত করা হয়। সালমনকে একটি ভোঁতা বস্তু দিয়ে মাথায় মারা হয়।'

সামিরের বাবা আরও জানান, যাওয়ার আগে আক্রমণকারীরা প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছে। তার দাবি, ‘তাদের তিনজনকে আবারও এলাকায় দেখা গেলে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে।'

এ ঘটনায় হাফেজদের পরিবার ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশের কাছে মামলা দায়ের করতে গেলে উল্টো পুলিশ তাদের বলে, এত রাতে চা পানের জন্য যাওয়ার কোন মানেই ছিল না, তবুও হিন্দু এলাকায়!

এক পর্যায়ে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পুলিশ মামলা নেয় এবং এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে।

তদন্তে নেমে পুলিশ ইন্সপেক্টর এইচসি রথভা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীরা এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। ফলে পুরো বিষয়টি তাদের মুখ থেকে জানা যায়নি। ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করেছি।"

সূত্র: বাসিরাত অনলাইন, এনডিটিভি

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ