সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

ইসকনের প্রসাদ বিতরণে তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি আল্লামা কাসেমীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘ইসকন’ তাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের রথযাত্রা উপলক্ষে চট্টগ্রামের বেশ কিছু স্কুলে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ কার্যক্রম চালানোয় তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’র মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।

আজ (১৭ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ইসকনের লোকেরা গেরুয়া বসন গায়ে স্কুলের শিশু-কিশোর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে হিন্দু সংস্কৃতি মতে প্লেটে অতিরিক্ত কাগজ দিয়ে খাবার পরিবেশন করছে এবং তাদেরকে হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে, মাতাজি প্রসাদ কি জয়; এসব হিন্দু ধর্মীয় নামজপ করাচ্ছেন।

আল্লামা কাসেমী বলেন, ভিন্ন ধর্মের দেবতার নামে উৎসর্গিত প্রসাদ মুসলমানদের জন্য ভক্ষণ করা ইসলামের আলোকে হারাম। তাছাড়া হিন্দুদের ‘হরে কৃষ্ণ রাম রাম’ স্লোগান দেয়াও মুসলমানদের আকিদা-বিশ্বাসের ঘোরতর বিরোধী তথা শিরক। ৯২% মুসলিম অধ্যুষিত দেশের স্কুলে, যেখানে অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই মুসলিম,সেখানে ইসলামী আকিদা-বিশ্বাস ও মুসলিম চেতনাবোধের উপর এমন অবমাননাকর আঘাত চলছে।

জমিয়ত মহাসচিব প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে হিন্দুত্বের এসব কার্যক্রম পরিচালনার সাথে জড়িত ও অনুমতিদাতাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের উদ্দেশ্য উদঘাটন এবং কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এর মাধ্যমে তারা মুসলিম চেতনাবোধের উপর যেমন মারাত্মক আঘাত হেনেছে, তেমনি সাম্প্রদায়িক উস্কানীর অপচেষ্টা চালিয়ে দেশে গোলযোগ তৈরির ষড়যন্ত্র করেছে।

তিনি বলেন, মারপিটের ভয় দেখিয়ে ভারতে মুসলমানদেরকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো যেমন সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন ও অপরাধ, তেমনি খাবারের লোভ দেখিয়ে কোমলমতি মুসলিম স্কুল শিক্ষার্থীদের ‘হরে কৃষ্ণ’ বলানোও সমপর্যায়ের সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন ও অপরাধ। দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে ক্রমবর্ধমান হিন্দুত্ববাদীদের প্রভাব ও আগ্রাসন চেষ্টা জনমনে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ