সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফের ইরান-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলা ইরাকে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ২১, আহত ১৯ বাংলাদেশসহ ৫ দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প হজ মৌসুমে সেবা দিয়েছেন মক্কা মিউনিসিপ্যালিটির ৯ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক পুকুরে ডুবে মাদরাসার হিফজ বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইস্তাম্বুলে তৃতীয় বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত ৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা

ইন্দোনেশিয়ায় নারীদের ‘ফুটবল খেলা হারাম’ বলে ঘোষণা দিলেন আলেমগণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম ♦

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের আলেমগণ নারীদের ফুটবল খেলা হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জাকার্তা টাইমসের বরাতে জানা যায়, আচেহ প্রদেশের বিজ্ঞ আলেমগণ প্রদেশটির নারী ফুটবল টিমের নারী খেলোয়ারদের এ খেলা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান করে বলেন, ইসলামি শরিয়ত এভাবে প্রকাশ্যে পুরুষদের সামনে নিজের সতর খোলে খেলাকে সমর্থন করে না। তাই নারীদের ফুটবল খেলা হারাম।

সম্প্রতি শেষ হওয়া নারী ফুটবল বিশ্বকাপে বিজয় অর্জন করে আচেহ প্রদেশের নারী ফুটবল টিম। আর এতে গোটা প্রদেশে নানান আয়োজন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আর তাই প্রদেশটির কয়েকটি ইসলামি সংগঠন ও আলেমগণ এ বিষয়ে মুসলিমদের সচেতন করতে ফতোয়া জারি করে মানব বন্ধন করেন। তারা প্রদেশের নারী ফুটবল লিগের কর্মকর্তা আহ্বায়কদের নিন্দা করে বলেন, ইসলামে নারীদের ফুটবল খেলা হারাম। ইসলামি শরিয়ায় নারীদের এ খেলা হারাম বলা হয়েছে।

এদিকে আচেহ প্রদেশের ক্রিড়া মন্ত্রণালয় নারীদের জন্য একটি ফুটবল ম্যাচ ঘোষণা করলে কয়েকটি ইসলামিক দল ও এলাকার আলেমগণ সেটি বন্ধ করতে আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, আচেহ প্রদেশ ইসলামি শরিয়া আইনে পরিচালিত একটি প্রদেশ। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সর্বপ্রথম এই প্রদেশেই ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রদেশটির রাজধানীর নাম বান্দা আচেহ। আয়তন ৫৮ হাজার ৩৭৫ দশমিক ৮৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৬০ লাখের মতো।

শতকরা ৯৮ দশমিক ৬ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত প্রদেশটিতে ২০০১ সালে ‘বিশেষ স্বায়ত্তশাসন’-এর ব্যবস্থার পর ইসলামি শরিয়া আইন বাস্তবায়ন শুরু হয়। পরে ২০০৫ সালে শান্তিচুক্তি সই হওয়ার পর শরিয়া আইনের প্রয়োগ আরও জোরালো হয়।

জুয়া খেলা, অ্যালকোহল পান করা, সমকামিতা, বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি নানা কারণে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হয়ে থাকে প্রদেশটিতে। শাস্তি হিসেবে সাধারণত বেত্রাঘাত করা হয়। অপরাধের ধরণ বিবেচনায় নিয়ে বেত্রাঘাতের পরিমাণ ঠিক করা হয়।

প্রদেশটিতে মুসলিম নারীদের জন্য পর্দাপ্রথা বাধ্যতামূলক করা হয়। আর ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মের নারীদের পোশাকের জন্যও আলাদা নিয়ম জারি করা হয়।

সূত্র: জাকার্তা নিউজ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ