মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
শায়খ আহমাদুল্লাহর পরামর্শে প্রবাসীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ চালু করছে সরকার বাংলাদেশি আলেমের হাতে অন্তিম মুহূর্তে হাসপাতালে কোরিয়ান বৃদ্ধের ইসলাম গ্রহণ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে: প্রধান উপদেষ্টা সরকারবিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে ইরান মোবাইল ক্রেতাদের জন্য বড় সুখবর দিলো সরকার জাপা প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে ইসি অভিমুখে জুলাই ঐক্য গানম্যান পেলেন জামায়াত আমির বাজারে এলো ‘মাওলানা ওয়াজি উল্লাহ রহ. জীবন কর্ম ও দাওয়াতের কারগুজারি’ নীতিমালা লঙ্ঘন: ১১ মাদরাসাপ্রধানের বেতন স্থগিত পটিয়ায় নির্মিত হচ্ছে ‘বেগম খালেদা জিয়া মসজিদ’

রোজাবস্থায় বমি হলে রোজা ভাঙবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম।

রোজা অবস্থায় অনেকেরই সমস্যা হয় বমি নিয়ে। অনেকের গ্যাসটিক থেকে ঢেকুর থেকে বমি হয় অনিচ্ছায়। বমি হলে রোজা ভাঙবে কিনা অনেকেই আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে থাকি।

বমির পরিমাণ বেশি হোক বা কম, সেটা খাদ্য বমি হোক বা রক্ত বমি, মনে রাখতে হবে রোজা হলো পানাহার না করার নাম।

বমি হলে তো পানাহার করা হয় না; বরং তার বিপরীত হয়। বমি হওয়ার পর রোজা পালনে সক্ষম হলে তা পূর্ণ করতে হবে। আর অক্ষম হলে রোজা ছেড়েও দিতে পারবে।

পরে রোজা কাজা আদায় করে নিতে হবে, কাফফারার প্রয়োজন হবে না। তবে বমি মুখে আসার পর তা গিলে ফেললে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।

ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলেও রোজা ভঙ্গ হবে। তখন কাজা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে। অনুরূপভাবে কোনো কারণে অজ্ঞান হলে (যাতে সাধারণত রোজার বিপরীত কিছু ঘটে না) তাহলেও রোজা ভঙ্গ হবে না। তবে দুর্বলতা বা অসুস্থতার কারণে প্রয়োজনে পানাহার বা ওষুধ সেবনে রোজা ভাঙলে পরে কাজা আদায় করে নিতে হবে।

সূত্র : ফাতওয়ায়ে তাতারখানিয়া; ফতওয়ায়ে হিন্দিয়া

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ