শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

ইরাকের ইরবিলে সর্বপ্রথম মানুষের বসবাস শুরু হয়: নাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোকন হারুন
আওয়ার ইসলাম

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট ‘নাসা’ ইরাকের ঐতিহাসিক দুর্গ ‘ইরবিল’কে পৃথিবীর সর্বপ্রথম মানবগোষ্ঠীর বসবাসের জায়গা হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইরাকের ঐতিহাসিক ইরবিল দুর্গটি ছয় হাজার বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়।

নাসার ফেসবুকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাহাড়ের চূড়ায় লিখিত একটি ইতিহাস পাওয়া যায়। তাতে লেখা আছে ‘মিসো পটোমিয়ামের ইরবিল দুর্গটি’ সব চাইতে পুরাতন সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু।

মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট নাসার অবসাইটে ‘ইরবিল দুর্গ’-এর একটি ছবি ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর আপলোড করা হয়। সে পোস্টে লেখা ছিল, এই স্থান হজরত ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মগ্রহণের অনেক পূর্ব থেকে আবাদ হয়ে আসছিল।

নাসার রিপোর্ট অনুসারে চেঙ্গিসখান তার রাজত্ব বিস্তৃত করার জন্য বিশাল একটি এলাকা দখল করেছিলেন। উছমানি খিলাফত ও ইউরোপীয় এবং এশিয়ান দেশগুলিতে ৬০০ বছর ধরে শাসন করেছিল। এতে ইরবিল দুর্গও অন্তর্ভুক্ত ছিল। যা বর্তমানে ইরাকের প্রদেশ কুর্দিস্তানে অবস্থিত।

ইউনাইটেড নেশন্স ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স অ্যান্ড কালচার 'ইউনেস্কো' ও ২০১৪ সালে ইরবিল দুর্গ’কে ঐতিহাসিক মানবজাতীর আদি-ঐতিহ্য হিসাবে ঘোষণা করেছে।

আরএম/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ