শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেহরির সময় আমির হামজার ফেসবুক পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল ‘কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটভিত্তিক অপপ্রচার চলছে’ আশুলিয়ার জামেয়া রহমানিয়া আবেদিয়ায় মুহতামিম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাকিস্তানের হামলা ‘অমার্জনীয়’, সামরিক জবাবের হুঁশিয়ারি তালেবানের এনসিপির ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে আশরাফ মাহদী ও সানাউল্লাহ খান কওমি ছাত্রদের কেন একক দল বা নেতার অনুসরণ করতে হবে? সারাদেশের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের তথ্য চেয়েছে সরকার চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’

সুলতান মনসুরের এমপি পদ থাকার প্রশ্নে ইসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গেলো একাদশ জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ও ১৪ দলের বাইরে বিরোধী দল ঐক্যফ্রন্ট থেকে ৮ জন প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপি থেকে ৬ জন আর গণফোরাম থেকে দুই জন নির্বাচিত হন।

এদিকে ঐক্যফ্রন্ট ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের নির্বাচিত সদস্যরা সংসদে যাবেন না, শপথ নেবেন না। তবে সংকট দেখা দিয়েছে মৌলভীবাজার-২ আসনে গণফোরাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও ডাকসুর ভিপি সুলতান মুহাম্মদ মনসুরকে নিয়ে। তিনি এর আগে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন।

সুলতান মনসুর সংসদে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানা যায়। তিনি এবার গণফোরাম থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন। প্রশ্ন উঠেছে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সংসদে গেলে তার সদস্য পদ থাকবে কি থাকবে না?

এ বিষয়ে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।

প্রশ্নটি চূড়ান্ত অর্থে ইসি নির্ধারণ করবে। কারণ, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ বলেছে, এ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।’

সংসদ সদস্য হওয়ার বা সদস্য পদ হারানো সম্পর্কিত অযোগ্যতার বিষয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) ধারায় বলা আছে, যদি সংশ্লিষ্ট কেউ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত না হন বা একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী না হন।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ এ বিষয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে যতক্ষণ স্পিকার নির্বাচন কমিশনের নোটিশে বিষয়টি না আনবেন ততক্ষণ কমিশনের কিছু করার নেই।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ