শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেহরির সময় আমির হামজার ফেসবুক পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল ‘কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটভিত্তিক অপপ্রচার চলছে’ আশুলিয়ার জামেয়া রহমানিয়া আবেদিয়ায় মুহতামিম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাকিস্তানের হামলা ‘অমার্জনীয়’, সামরিক জবাবের হুঁশিয়ারি তালেবানের এনসিপির ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে আশরাফ মাহদী ও সানাউল্লাহ খান কওমি ছাত্রদের কেন একক দল বা নেতার অনুসরণ করতে হবে? সারাদেশের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের তথ্য চেয়েছে সরকার চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’

ভোটের রাতে কী ঘটেছে, বলতে পারবো না: ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘খুবই সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ’ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম (ইএমএফ)। তবে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইএমএফের মন্তব্য, ‘রাতের আধারে কী ঘটেছে, আমরা বলতে পারবো না’।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জাতীয় সংবাদ সম্মেলনে ইএমএফ-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মাওলানা মো. আবেদ আলী এ দাবি করেন।

আবেদ আলী বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের দিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করেছি। ভোটগ্রহণ খুবই সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ছিল।’

ইএমএফ-এর লিখিত পর্যবেক্ষণ পাঠে তিনি বলেন, ‘সার্বিক বিবেচনায় নির্বাচন খুবই শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর, আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্থার পর্যবেক্ষকদের মতে, যেসব কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, ওইসব কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক এবং কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি চোখে পড়েনি। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন শেষ করায় আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের অন্তর্ভুক্ত সংগঠন সার্ক হিউমেন রাইটস ফাউন্ডেশনের পক্ষে সর্বমোট আটজন বিদেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন এবং তারা নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বলেও তিনি জানান।

প্রার্থীদের আচরণের বিষয়ে আবেদ আলী বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারসহ সার্বিকভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ পরিলক্ষিত হয়। তবে কিছু সংসদীয় আসনের প্রার্থী মামলার অজুহাতে প্রশাসনের হয়রানির শিকার হয়েছেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। নির্বাচন কমিশন উল্লিখিত বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসারসহ নির্বাচন কাজে নিয়োজিত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সার্বিকভাবে কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেছেন এবং পর্যবেক্ষণে ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাধার সৃষ্টি করেননি বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাদের আরও শক্তিশালী করা, নির্বাচনি সহিংসতায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা, নির্বাচনের কয়েকটি কেন্দ্রে নিহদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়াও সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ