শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

ডাকাত ভেবে পুলিশকে সারারাত আটকে রাখলো গ্রামবাসী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ডাকাত ভেবে সারারাত পুলিশ আটকে রাখলো গ্রামবাসী। রোববার মধ্যরাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বহুরিয়া ইউনিয়নের গেরামারা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ওইদিন রাত দু’টার পর গেরামারা গ্রামের আলমাস মিয়ার বাড়িতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজা খোলার জন্য উচ্চবাচ্য করতে থাকে ৬-৭ জন লোক। পরে আলমাসের স্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করতে থাকলে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের পরিচয় জানতে চায়। সেখানকার একজন নিজেকে মির্জাপুর থানার এসআই পরিচয় দিলেও বাকিরা নিজেদের পুলিশের কেউ নয় ও একজন নিজেকে মির্জাপুর থানার বাবুর্চি পরিচয় দেয়।

পুলিশ পরিচয় দেয়া সিভিল ড্রেসে থাকা ব্যক্তিকে গ্রামবাসী তার আইডি কার্ড, ওয়ারেন্ট দেখাতে বলে। কিন্তু তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী তাদের আটক করে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন হাইওয়েতে টহলরত কয়েকজন পুলিশ।

কিন্তু গ্রামবাসীর তোপের মুখে তারা সরে আসতে বাধ্য হন। অবশেষে আজ ভোরে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক নিজে গিয়ে তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

আলমাস জানান, তিনি সিঙ্গাপুরে কর্মরত। কয়েকমাস হলো দেশে এসেছেন। থানায় তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বা মামলা নেই। কিছুদিন আগে তার শ্বশুর বাড়িতে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনা আর এই ঘটনার প্রেক্ষাপট একই রকম।

মির্জাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি এই কর্মকর্তা।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ