বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘একজন প্রবীণ আলেমের ওপর নৃশংস হামলার বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব’ কাউন্সিল সফল করতে মিরপুরে জমিয়তের মতবিনিময় সভা ইমাম কেন বেছে নিলেন আত্মহত্যার পথ? শায়খে চরমোনাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা, দলের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি ১ হাজার ওমরা যাত্রীর খরচ বহন করবেন সৌদি বাদশাহ এসএসসি-২০২৭ জানুয়ারিতে, ২০২৮ থেকে আসছে নতুন কারিকুলাম ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ, ইসরায়েলের ভয়ংকর পরিকল্পনা ফাঁস ক্বারী আবু রায়হানের ওপর হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় খেলাফত মজলিস তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেমি নিচে, প্লাবনের শঙ্কা নেই বিকেএম ময়মনসিংহ জেলা শাখার নির্বাহী পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

মদ্যপ মায়ের রেখে যাওয়া সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালেন কনস্টেবল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের হায়দ্রাবাদের ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতালের কাছে মদ খেয়ে শিশুকে এক ব্যক্তির হাতে দিয়ে ভুলে চলে গিয়েছিলেন মা! ক্ষিদের জ্বালায় চিৎকার করে কাঁদতে থাকা শিশুটিকে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ওই মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রবিবার রাতে ওই মহিলা শিশুটিকে অচেনা এক ব্যক্তির হেফাজতে রেখে জানান, কিছুক্ষণ পরই তিনি ফিরে আসবেন। অনেকক্ষণ পরেও মহিলাকে ফিরে না আসতে দেখে ওই ব্যক্তি শিশুটিকে নিজের বাড়ি নিয়ে যান এবং দুধ খাইয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি তার বন্ধু এবং আত্মীয়দের বিষয়টি জানালে তারা শিশুটিকে আফজলগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে।

ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে কনস্টেবল এম রবিন্দর তার স্ত্রীকে ফোনে পুরো ঘটনাটি জানান। মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন রবিন্দরের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা, যিনি নিজে নারী কনস্টেবলও। পরে রবিন্দরের স্ত্রী ঘটনাস্থলে এসে শিশুটি স্তন্যপান করিয়ে শান্ত করেন।

কনস্টেবল প্রিয়াঙ্কা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘আমি ফোন পাওয়ার পরে অবিলম্বে একটি ক্যাব বুক করে আফজলগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হই, ওখানেই বাচ্চাটিকে নিয়ে আসা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেও তো এক ছোট্ট শিশুর মা, তাই আমি বুঝতে পারি ওর ক্ষিদে পেয়েছে বলেই এত কাঁদছে। আমি অবিলম্বে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াতেই সে শান্ত হয়ে যায়।’

পরে, শিশুটিকে একটি সরকারি মাতৃত্ব হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ যখন মা'কে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল, তখনই চঞ্চলগুদা এলাকার কাছে একজন মহিলাকে কাঁদতে দেখেন তারা। পরে ওই মহিলা সমস্ত ঘটনার বর্ণনা দেন। মহিলার দাবি, ওই সময় তিনি মদ্যপ থাকায় শিশুকে ঠিক কোন ব্যক্তির হাতে তুলে দিয়েছিলেন তা মনে করতে পারছিলেন না কিছুতেই। পুলিশ ওই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি তার শিশু সন্তানকে চিহ্নিত করেন। যাচাই ও নিশ্চিতকরণের পর শিশুটিকে ওই মহিলার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর হায়দরাবাদের সিটি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা কনস্টেবল দম্পতির প্রশংসা করেন। হায়দরাবাদ পুলিশ কমিশনারও এই মানবিক আচরণের জন্য দম্পতির প্রশংসা করেন। সূত্র– এনডিটিভি।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ