শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ।। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘দ্রুতবিচারের দাবিকে মধ্যযুগীয় বলে জনতার সঙ্গে উপহাস করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ মসজিদে হারামের খুতবায় হজের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান ‘ধর্ষকের প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ডকে মধ্যযুগীয় বলা ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা’ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাফেজ কামরুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুগ ধরে হজের খুতবা দিয়েছেন যেসব আলেম রাত ১টার মধ্যে ১১ অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধে মারামারি, আহত ১২ ‘ঔপনিবেশিক আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি গণ-অনাস্থা তৈরি হয়েছ’ শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিক্ষোভ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে চাপ দিন, ভারতকে জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির পাশাপাশি বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে দিল্লিতে ‘গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেস, গ্লোবাল সলিউশনস’ শীর্ষক এক বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান। গুতেরেস বলেন, রোহিঙ্গারা যেভাবে নিষ্পেষিত, নির্যাতিত হয়েছেন বিশ্বে আমি কখনো অন্য কোনো জাতিকে এতটা নির্যাতিত হতে দেখিনি।

রোহিঙ্গারা কোনো স্বাস্থ্য, শিক্ষা সুবিধা পায় না। মিয়ানমারের সমাজ ব্যবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জাতিবিদ্বেষ রয়েছে। এ সময় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার থাকার সময়ের একটি ঘটনা বর্ণনা করেন গুতেরেস। ওই পদে থাকা অবস্থায় তিনি মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, রোহিঙ্গাদেরকে শরণার্থী বানানো আমার দায়িত্ব বা কর্তব্য নয়। আমার দায়িত্ব হলো শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান করা।

এতেই দেখতে পাই মিয়ানমারে কিভাবে রোহিঙ্গাদের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা হয়। কত গভীরে এমন নেতিবাচক ধারণা। সামাজিক মিডিয়াগুলোতে কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষু ঘৃণাপ্রসূত বক্তব্য ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাতে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা তীব্র হয়েছে।

বাংলাদেশে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আছেন। তাদেরকে পোড়ানো হয়েছে। ধর্ষণ করা হয়েছে। প্ররোচণা থাকার পরও সেনাবাহিনীর নৃশংসতা ছিল ভয়াবহ।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ব এখন বহুমেরুকরণ হয়ে আছে। এখানকার ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভারত। একই সঙ্গে এ দেশটি বিশ্বে চলমান যুদ্ধগুলোতে একজন সৎ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।

গুতেরেসর কাছে জানতে চাওয়া হয় কমপ্রিহেনসিভ কনভেনশন অন ইন্টারন্যাশনাল টেরোরিজম (সিসিআইটি) বিষয়ে, যা ১৯৯৬ সালে প্রস্তাব করে ভারত।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের মধ্যে সন্ত্রাসের সংজ্ঞা নির্ধারণ নিয়ে অনৈক্য থাকার কারণে এ বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে। পার্সটুডে

ইন্দোনেশিয়ায় এবার অগ্ন্যুৎপাত; ব্যাপয় ক্ষতির আশঙ্কা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ