হামিম আরিফ: শিশু কিশোরদের ভালো পড়ার শোনার জন্য দরকার ভালো পরিবেশ, সুন্দর ব্যবস্থাপনা ও পরিপাটি বাসস্থান। যাতে পরিবেশের সঙ্গে মনকে মানিয়ে নেয়ার পাশাপাশি দ্রুত পড়ায় ফিরতে পারে একজন শিক্ষার্থী।
যদিও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে পরিবেশ সচেতনতার প্রতি নজর দেয়া হয় না। যাতে শিক্ষার্থীরা অমনোযোগী হয়ে পড়ে।
তবে এসবের থেকে পুরোটাই ব্যতিক্রম মারকাজুত তানযীল আল ইসলামিয়া মাদরাসা। ঢাকার যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ায় গড়ে ওঠা নিরিবিলি পরিবেশে, স্বস্থ্যসম্মত আবাসনে মাদরাসাটি শিশুকিশোরদের মন কেড়েছে।
এখানকার পরিবেশ যেমন সুন্দর, পাশাপাশি শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক মা-বাবার মতো স্নেহময়ী তদারকি রয়েছে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য। যে কারণে অল্প সময়ে নজর কেড়েছে মারকাজুত তানযীল আল ইসলামিয়া।
আগামী (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের) শিক্ষা বছরের ভর্তি শুরু হয়েছে আজ ১ রমজান থেকে। যথাক্রমে ভর্তি চলবে ঈদ পরবর্তী আরও ১৫ দিন।
মারকাজুত তানযীলে রয়েছে ১. আন্তর্জাতিক হিফজ রিভিশন বিভাগ। এ বিভাগে অধ্যয়রত শিশু কিশোররা আন্তর্জাতিক মানের হাফেজ হয়ে গড়ে উঠেন। ফলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলোতে তারা সহজেই অংশ গ্রহণের জন্য উপযোগী হয়ে যায়।
রয়েছে হিফজ বিভাগ। মানসম্মত এ হিফজ বিভাগে সীমিত আসনে শিক্ষার্থী নেয়া হয়ে থাকে। এখানে হেফজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অতীতে বোর্ডের শীর্ষ স্থানগুলোতে জায়গা করে নিয়েছেন।
এছাড়াও আছে নুরানি-মক্তব বিভাগ। শিশুকে প্রাথমিকভাবে উত্তমরুপে গড়ে তোলার জন্য একটি আদর্শ নুরানি মক্তব এটি। যেখানে আপনার শিশুকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী গড়ে তোলা হয়।
মাদরাসাটির এ পর্যন্ত কয়েকটি অর্জন
বিগত বছরে পুরো বাংলাদেশে কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড- বেফাক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে- ১ম, ২য়, ৩য় স্থান লাভ করেছে এ মাদরাাসার শিশুরা।
জাতীয় একাধিক কুরআনে কারিম তেলাওয়াতের প্রতিযোগিতায় পুরস্কার লাভ করেছে। এছাড়াও আন্তজার্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ভুয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে।
আনন্দের বিষয় হলো, মাদরাসাটির প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ কারী মাওলানা সাইফুল ইসলাম। যিনি বর্তমানে কাতারে রয়েছেন এবং কাতার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ মসজিদের ইমাম-খতিব ও তারাবির নামাজের দায়িত্ব পালন করছেন।
হাফেজ কারী সাইফুল ইসলাম সাহেব ২০০৪ সালে দুবাই আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান, ২০১০ সালে জর্ডানে আন্তর্জাতিক তাফসীরুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান, ২০০৪ সালে সৌদি আরবে আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযো