আওয়ার ইসলাম: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর ও জামেয়া আহলিয়া দারুল উলুম হাটহাজারীর মুহতামিম শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, একজন মুসলমানের শিরকমুক্ত স্বচ্ছ ঈমান-আকীদাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
আল্লাহ তাআলা কুরআনে ঈমানের আলোচনার পাশপাশি আমলে সালেহ বা সুকর্মের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন। আমাদের আমল মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো শিরক ও বিদআতমুক্ত জীবন।
কুরআন-হাদিসে সত্য-মিথ্যা, হক-বাতিল, ঈমান-কুফর-শিরক প্রতিটি বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। আমলের প্রশ্নেও আল্লাহর রাসূল বিদআতকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আল্লামা আহমদ শফী বলেন- ইসলামের মৌলিক পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামায একটি ফরজ এবাদত। নামাজ মানুষকে সকল কুসংস্কার ও অপসংস্কৃতি থেকে বিরত রাখে। তাই মুসলমানদের ঘরে ঘরে নামাজি সৃষ্টি করার জন্য ওলামায়ে কেরামকে দাওয়াতের মেহনত আরো মজবুত করতে হবে।
সাধারণ রয়স্ক মুসলমানদের নামাজ বিশুদ্ধ করার লক্ষে আগামী রমজান মাসে নিজ নিজ এলাকায় সহীহ নমাজ ও কুরআন শিক্ষা চালু করার জন্য তিনি সর্বস্তরের হেফাজত নেতা কর্মী এবং ওলামায়ে কেরামের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, মুসলমানরা নামাজী হলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি আসবে। কুরআন প্রেমিক হলে আল্লাহর রহমত নাজিল হবে। তাই কুরআন নাজিলের মাস রমজানে রহমত, বরকত এবং মাগফিরাত কামনায় বেশি করে কুরআন তিলাওয়াত, নফল ইবাদত করুন।
সমাজের গরিব, অসহায় সাধারণ মুসলমানদের জন্য ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ইফতার মাহফিলের আয়োজন করুন। তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, রমজানে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখুন।
আজ বাদ আসর দারুল উলুম হাটহাজারী মাদরাসায় হেফাজতে ইসলামের এক সভায় সভাপতির ভাষণে শায়খুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী দা.বা. উপরোক্ত কথা বলেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, যুগ্নমহাসচিব মাওলানা সলিমুল্লাহ, মাওলানা শেহাবুদ্দিন মদুনাঘাট, মাওলানা ফোরকান আহমদ, মওলানা আহমদ দিদার, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা মঈনুদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, হাটহাজারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা হাফেজ তৈয়ব, মাওলানা হাজী ইউসুফ, মাওলানা জাফর আহমদ।
মাওলান