শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’ দলীয়করণ ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে ঐকমত্যের আহ্বান নেজামে ইসলাম পার্টির সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ধর্মমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি পরীক্ষা ছাড়া বেফাকের আর কাজ কী? কাল থেকে জিপিএস ছাড়া চলবে না গণপরিবহন

‘কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীরা জামায়াত-শিবিরের এজেন্ট’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ‘রাজাকারের বাচ্চাদের দেখে নেব। মুক্তিযুদ্ধ চলছে, চলবে। মতলববাজ, জামায়াত-শিবির ও তাদের এজেন্টদের সামান্য ছাড় দেয়া হবে না’।  সোমবার সংসদ অধিবেশন চলাকালে  সরকারি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অভিযুক্ত করে এসব কথা বললেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ছাত্রদের প্রতি আমাদের কোনও ক্ষোভ  নেই। কিন্তু জামায়াত-শিবির ও তাদের এজেন্টদের ব্যাপারে শিথিলতা করা হবে না।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন বাজি রাখেন, পৃথিবীর সব দেশে তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা সুযোগ পাবে না, রাজাকারের বাচ্চারা সুযোগ পাবে? তাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংকুচিত হবে? রাজধানীকেন্দ্রিক একটি এলিট শ্রেণি তৈরির চক্রান্ত চলছে। তারই মহড়া গতকাল আমরা দেখলাম।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী কোটা সংস্কারের আন্দোলন নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনার সূত্রপাত ঘটান। পরে বিষয়টি নিয়ে সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও কয়েকজন এমপি বক্তব্য রাখেন। কেউ কেউ কোটা সংস্কারকে যৌক্তিক উল্লেখ করে বিষয়টি বিবেচনার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী রাতের আঁধারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসায় হামলার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘এটা শিক্ষার্থীদের জন্য একটা কলঙ্কজনক ইতিহাস। প্রতিবাদ করতে মুখোশ কেন পরতে হবে? মুখোশ কারা পরে? যারা ভণ্ড, প্রতারক তারাই মুখোশ পরে। সাহস থাকলে মুখটা দেখাও। ইতর হওয়ার একটা সীমা আছে।’

 

তিনি বলেন, যারা সাঈদীকে চাঁদে নিয়ে যায়, মুখোশ পরে হামলা করে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব তাদের কোনও ক্ষমা নেই। তাদের ক্ষমা করা যাবে না। এই দেশে হয় তারা থাকবে, না হয় আমরা থাকবো।

অধিবেশনে রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, কোটা সংস্কারের দাবি যুক্তিসঙ্গত। নাগরিকদের দাবি জানাবার, আন্দোলন করার অধিকার আছে। কিন্তু উপাচার্যের বাড়িতে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, তা কি ভুল নাকি অনুপ্রবেশ; সেটা একটা বিষয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমনটা ঘটেনি। আন্দোলনে নেমে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য কেন?

স্বতন্ত্র এই এমপি কোটা সংস্কারের দাবির প্রতি নৈতিক সমর্থন জানান। তিনি বলেন, এ নিয়ে মন্ত্রিসভা ও সংসদে আলোচনা হতে পারে। সংসদীয় একটি কমিটি করা যেতে পারে। এই কমিটি সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরর নেতৃত্বে যে আলোচনা চলছে, এর সহায়ক হবে। ন্যায়সঙ্গত একটা সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এসএস

আরো পড়ুন : লাইফ সাপোর্টে হাত হারানো রাজীব


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ