বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
`ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষি কার্ডের অজুহাতে জনগণকে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন না' শেষ হচ্ছে শায়েখ আহমাদুল্লাহর ‘শরয়ী সমাধান’ লাইভ শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা বেপরোয়া বাস পিষে মারল মাদরাসা ছাত্রকে ইসলামের ছায়ায় কিংবদন্তি ফুটবলার রবার্তো কার্লোস! পুলিশের লাঠিচার্জে ৩০ শিক্ষার্থী আহত, দারুল আরকামের চার দফা দাবি উচ্চস্বরে গানের প্রতিবাদ , পুলিশের লাঠিচার্জে দারুল আরকামের ৩০ শিক্ষার্থী আহত শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার পেলেন জুবায়ের রশীদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার পথে আবদুল এল-সাইদ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতায় ভাগ বসালেন জামায়াত নেতারা!

‘আফগানিস্তানের সেই অনুষ্ঠানে কোনো তালেবান নেতা ছিলেন না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: যুদ্ধ বিগ্রহে বিপর্যস্ত উত্তর আফগানিস্তানের কুন্দুজ প্রদেশে একটি মাদরাসায় হামলার পর সেখানে উপস্থিত বেঁচে যাওয়া কয়েকজন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন।

তারা বলেন, কুন্দুজের তালেবান নিয়ন্ত্রিত দাশত-ই আরচি জেলায় ওই হামলার প্রধান টার্গেট ছিলো কয়েকজন শীর্ষ তালেবান নেতা।

ওই হামলায় দেড় শতাধিক বেসামরিক মানুষ নিহত হন। যাদের মধ্যে অধিকাংশই হাফেজে কুরআন ও আলেম ছিলেন। মূলত একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তারা। যেখানে হাফেজ শিক্ষার্থীদের সনদ (সার্টিফিকেট) প্রদান করা হচ্ছিল।

আফগান গণমাধ্যমের ভাষ্য মতে, তালেবানদের লক্ষ্য করে হামলা করা হলেও সেখানে তালেবানের কোনো সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। তালেবান অধ্যুষিত এলাকা হওয়াতেই আফগান সামরিক বাহিনী এ ধরনের হামলা চালিয়েছে।

তাদের বক্তব্য, এত মানুষ নিহত হলেও তাদের মধ্যে তালেবান নেতা রয়েছেন বলে কেউ সনাক্ত করতে পারেনি। এতে বোঝা যায়, সেনাদের আসল উদ্দেশ্য মূলত কী ছিল।

প্রাদেশিক রাজধানী কুন্দুজের হাসপাতালের সামনে বুক চাপড়ে সন্তান হারানো এক বাবা আহাজারি করে বলছিলেন, আমি মহান শাক্তিমান আল্লাহর কাছেই বিচার দিচ্ছি।

আল্লাহ অবশ্যই হামলাকারীদের বিচার করবেন। ভাগ্নে হারানো এক মামা হাসপাতালের সামনে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, মনে হচ্ছে বর্তমানে অমুসলিম সরকার দেশ পরিচালনা করছে!

সূত্র: ডেইলি কুদরত

‘কুরআনে হাফেজদের রক্তে ভেসে যাচ্ছিল মেঝে’

যেভাবে আমি আফগানিস্তানে নিহত হলাম

বিধ্বস্ত কুন্দুজের হে আম্মাজান! আপনি হাসুন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ