মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

এবার পদত্যাগ করলেন মিয়ানমারের স্পিকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  প্রেসিডেন্ট উ থিন কিউয়ের পর এবার পদত্যাগ করেছেন মিয়ানমারের পার্লামেন্ট স্পিকার উ উইন মিন্তও। বুধবার পার্লামেন্ট অধিবেশন চলাকালে তার এ পদত্যাগের কথা জানান ডেপুটি স্পিকার থি খুম মিন্ত। খবর: বিবিসি, মিয়ানমার টাইমস

দায়িত্ব নেয়ার দু’বছর পর পদত্যাগ করলেন মিন্ত। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।

তবে কেন পদত্যাগ করলেন মিন্ত সে সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি এখনো। পদত্যাগের সময় তিনি ছুটিতে ছিলেন। মিয়ানমারের সংবাদ মাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, সদ্য পদত্যাগ করা প্রেসিডেন্ট থিনের জায়গায় তার নাম প্রস্তাবিত হয়েছে। সেটি হলে থিনই হবেন ১৯৪৮ সালে স্বাধীন হওয়া দেশটির ১০ম প্রেসিডেন্ট।

এর আগে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়ান স্টট কাউন্সিলর অং সান সু চির অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলে পরিচিত উ থিন কিউ। ৭১ বছর বয়সী কিউ ছিলেন সু চির শৈশবের বন্ধু। সেইসাথে দীর্ঘদিন তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেন।

মিয়ানমারে দীর্ঘ কয়েক দশকের সামরিক শাসন শেষ হওয়ার পর ২০১৬ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা আসে অং সান সু চি’র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। সাংবিধানিক বাধার কারণে সু চি প্রেসিডেন্ট হতে না পারলে তার স্থলে দায়িত্ব নেন থিন।

তবে থিন ছিলেন মূলত আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট। কার্যত প্রেসিডেন্টের মূল দায়িত্ব পালন করছেন সু চিই। সেনাবাহিনীর সঙ্গে অং সাং সু চিই মূলত মিয়ানমারের সব নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে যাচ্ছেন প্রত্যক্ষ ও প্রকাশ্যে। যার কারণে রাখাইনে রোহিঙ্গা জাতিগত নিধনের ঘটনায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে থিনের বদলে সু চির নামই উচ্চারিত হয়েছে বারবার।

বিবিসি জানায়, এখন পর্যন্ত থিনের পদত্যাগের কোনো কারণ জানানো হয়নি। তবে সম্প্রতিককালে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া থিন। তবে প্রেসিডেন্ট অফিস থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নিয়োগ করা হবে। আর সে পর্যন্ত ভাইস-প্রেসিডেন্ট মিন্ত সোয়ে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। মিন্ত একজন সাবেক জেনারেল।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ