বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৬ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’ নতুন বছরে ভর্তির দুর্ভোগ, একটি মর্মস্পর্শী চিত্র

চরমপন্থি বৌদ্ধরা পুনর্নির্মাণের পর আবারও গুড়িয়ে দিলো মসজিদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশের একটি মসজিদ পুনর্নির্মাণের পর সেদেশর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মসজিদটি পুনরায় ধ্বংস করা হয়েছে।

মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী উপস্থিতিতে সেদেশের রাখাইন রাজ্যরে মিমবিয়া শহরের অদূরে সামবালী গ্রামে একটি মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছে। মিয়ানমারের মুসলিম নিধন অভিযানে সেদেশের সেনাবাহিনী ও চরমপন্থি বৌদ্ধরা মসজিদটি ধ্বংস করেছিলো।

ধ্বংস করার পর মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ৮ম মার্চে পুনরায় মসজিদটি ধ্বংস করেছে।

২০১২ সালে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতার সময় এই মসজিদে আগুন দেয়া হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করলে পুনরায় মসজিদটি ধ্বংস করা হয়।

এ পর্যন্ত চরমপন্থি বৌদ্ধরা ও সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলমানদের অন্তর্গত বহু বাড়ি, মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করেছে। মিয়ানমারের সরকার সেদেশে মুসলমানদের অবস্থানকে হুমকি মনে করছে।

রাখাইনে বসবাসরত রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর ২৫শে আগস্ট থেকে সেদেশের সামরিক বাহিনী ও চরমপন্থি বৌদ্ধের অমানবিক অত্যাচার করছে।

জাতিসংঘ ও চিকিৎসক সংস্থা ঘোষণা করেছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর সহিংসতার ফলে এ পর্যন্ত ৯ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান নিহত হয়েছেন এবং কয়েক লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ