মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

এবার দলীয় কর্মীকেই পিটিয়ে রক্তাক্ত করল ইবি ছাত্রলীগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বুধবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন ভবনের সামনে আইন চত্বরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের এক কর্মীকে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মারধরের স্বীকার ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম আশিক আরাফাত। সে বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র ও সাধারন সম্পাদক গ্রুপের কর্মী। ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা তাকে বেধড়প পিটিয়েছে বলে জানিয়েছেন আহত সেই ছাত্রলীগ কর্মী। মারধরের পরে তার বন্ধুরা আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা ১২টার আশিক আরাফাত বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন ভবন থেকে আইন চত্বরের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় ছাত্রলীগ কর্মী রিজভী আহমেদ, জুলকার নাইম, লিংকন আহমেদ, গোলাম মোস্তফা, রাব্বি, বিল্লাল, বহিরাগত নয়নসহ ১০-১২ জন আশিকের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে। তারা আশিককে রড ও লাঠিশোটা দিয়ে উপর্যপুরি মারতে থাকে।

এক পর্যায়ে আশিক রাস্তায় পড়ে গেলে তারা চলে যায়। পরে আশিকের বন্ধুরা আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে ভর্তি করে। হামলাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিনের অনুসারি কর্মী বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

এদিকে আহত আশিক মারধরের ঘটনায় লোক-প্রশাসন বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। লিখিত অভিযোগ আশিক উল্লেখ করেন, আমি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কোন কথা ছাড়াই বহিরাগত নয়ন, লোক প্রশাসনের বিল্লাল, ইংরেজি বিভাগের রিজভী, সালাম, বাংলার মোস্তফা, অর্থনীতির লিংকন, জুয়েল আমাকে রড দিয়ে মারধর করে। আমাকে রাস্তায় অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

আমি বিশ্ববিদ্যারয় প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার তদন্তপূর্বক দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

 

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ