শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ

কায়রোর প্রথম নারী মিনিবাস চালক ওম আবদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিনিবাস হচ্ছে কায়রোর অন্যতম জনপ্রিয় একটি গণপরিবহন। কায়রোতে প্রথম মহিলা চালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে ওম আবদুল্লাহ নামে এক নারী।

তিনি বোরকা এবং পুরো মুখ ঢাকা নিকাব পরেই মিনিবাস চালান। তার মিনিবাসটি শুধু মাত্র মহিলা যাত্রীদের জন্য।

বিবিস বাংলার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, আবদুল্লাহ ড্রাইভারের কাজ শুরু করেন গত বছর তার স্বামী মারা যাবার পর। কিছু অর্থ আয় করাই ছিলো তার উদ্দেশ্য।

বিবিসিকে তিনি বলেন, আমি দেখলাম আমার চলতে হলে তো কিছু করতে হবে। ছেলেমেয়েদের বড় করতে হবে। তখন আমি গাড়ি চালানোর কথা ভাবলাম। গাড়ি চালানো একটা ভালো কাজ। আমি কাজটা পছন্দও করি। তবে এর আগে তিনি কোনদিন মিনিবাস চালান নি।

ওম আবদুল্লাহকে ড্রাইভারের চাকরিটি দিয়েছেন মিনিবাস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী ফাতিমা এবং তার স্বামী সায়েদ - যারা ওই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।

ফাতিমা বলছিলেন, ওম আবদুল্লাহ তার কাছে বেশ কয়েকবার এসেছিলেন চাকরি খোঁজে।

আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে তিনি কি করতে চান। তিনি বললেন 'আমি গাড়ি চালাতে চাই।

কোম্পানিটি মহিলাদের কাজের জায়গায় বাচ্চাদেরও নিয়ে আসতে দেয়।

আমি গর্ভবতী অবস্থাতেও কাজ করেছি - বলেন ফাতিমা। তার নবজাত শিশুকে ডেস্কের পাশে প্রামে রেখেই তিনি অফিসের কাজ করেন।

ওম আবদুল্লাহকে কাজ দেবার ব্যাপারে কিছু পুরুষ ড্রাইভার আপত্তি তুলেছিলেন। কেউ কেউ বলেছিলেন, এখন মহিলারা কাজ করছে, আমাদের তো তাহলে বাড়িতে বসে থাকতে হবে।

আমি তাদের বললাম, আপনারা যদি কাজ করতে না চান তাহলে মহিলারাই করবে - বলছিলেন ফাতিমা। তবে ধীরে ধীরে অবস্থাটা পাল্টাতে লাগলো।

ওম আবদুল্লাহ বলছিলেন, এখন পুরুষ ড্রাইভাররা আমাকে তাদের সহকর্মী হিসেবেই দেখে এবং তারা খুশি। আমি ওদের বলেছি আমি শিখতে চাই। কোন কাজ শেখাই খুব বেশি কঠিন নয়।

ওম আবদুল্লাহ যে মিনিবাস চালান তা শুধু মহিলা যাত্রীদের। তিনি বলছেন, এটা যৌন হয়রানি রোধে কার্যকর।

ওম আবদুল্লাহ আশা করছেন তার দৃষ্টান্ত দেখে ভবিষ্যতে আরো মেয়ে ড্রাইভারের কাজ করতে অনুপ্রাণিত হবে।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ