বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত একবাক্স নীতি বহাল রাখতে আলোচনা চলমান: গাজী আতাউর রহমান

বাবার খুনে মিটল ছেলের ঋণের দায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ছেলে মোবাইল কিনে মাত্র দুইশ’ টাকা বাকি রেখেছিল। পাওনা টাকা আদায়ে গত রোববার রাতে বিক্রেতারা মারধর করছিল ছেলেকে। এ দৃশ্য সহ্য করতে পারেন কোন বাবা? তাই তো তিনি এগিয়ে গেলেন ছেলেকে রক্ষায়। আর পাওনাদারদের ক্ষোভ গিয়ে পড়ল বাবার ওপর।

সেই ক্ষোভ এতটাই প্রচণ্ড ছিল যে, মারতে মারতে মেরেই ফেলল বাবাকে। ঘটনাটি টাঙ্গাইলের বাসাইল এলাকার নাকাছিম গ্রামের। নিহত ব্যক্তির নাম করে আলম বেগ (৫২)। তিনি ওই গ্রামের আবদুর রহিম বেগের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।

বাসাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম তুহিন জানান, বাসাইল পশ্চিমপাড়া এলাকার রানার কাছে একটি মোবাইল বিক্রি করে প্রিন্স ও জনি। মোবাইল বিক্রির ৮০০ টাকার মধ্যে ৬০০ টাকা পরিশোধ করা হয়। বাকি ২০০ টাকা পরিশোধ করা নিয়ে রানা ও প্রিন্সের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

রোববার রাত ৮টার দিকে প্রিন্স, জনি, রাশেদসহ ১০-১২ জন মিলে রানার কাছে আবার সেই পাওনা টাকা চাইতে যায়। টাকা না দেওয়ায় বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে প্রিন্স ও তার বন্ধুরা রানাকে মারধর করলে রানার বাবা আলম বেগ তাদের বাধা দেন।

এ সময় সন্ত্রাসীরা রানার বাবা আলম বেগকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সংবাদ পেয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে রাশেদ, সুনিত বিহারী, জনি ভূঁইয়া, তানভীর ইসলাম, শিহাবকে আটক করে।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় আলম বেগের মৃতদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সন্ধ্যায় নাকাছিম গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফ-উল-আলম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে। পাঁচজনকে জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়েছে। এর সঙ্গে আরও যারা জড়িত, তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

টিএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ