বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান

নীলফামারীতে ৫ লাখ রোগীর জন্য ৭ জন চিকিৎসক!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নীলফামারীতে মাত্র ৭ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে ৫ লাখ মানুষের একটি সরকারি হাসপাতাল। পাশাপাশি কাঙ্খিত সেবা না পাওয়ায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রোগীরা।এমনটিই জানা গেছে সরেজমিনে গিয়ে।

এদিকে প্রয়োজনীয় লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৫ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য একমাত্র সরকারি হাসপাতাল এটি। রোগীদের কথা বিবেচনা করে ২০১১ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। অথচ আজও বাড়েনি কাঙ্খিত সেবার মান। মাত্র ৭ জন চিকিৎসক ও ৭ জন নার্স দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এই হাসপাতালটি।

একজন রোগী বলেন, ঠিকমত ওষুধ দিচ্ছে না। পাশাপাশি ডাক্তারেরও অনেক সংকট। আমাদের জটিল কোনো রোগের জন্য এখানে আসলে তার চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। কারণ এখানে সেরকম যন্ত্র বা বিশেষজ্ঞ নেই।

হাসপাতালের একজন কর্তৃপক্ষ বলেন, জনবল সংকট ও চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাবে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের।

একজন নার্স বলেন, ওয়ার্ড বয়, আয়া পর্যাপ্ত না থাকায় অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমরা দিতে পারছি না।

নীলফামারী জলঢাকা ৫০ শয্যা হাসপাতাল আরএমও ডা. দেবাশীষ রায় বলেন, আমাদের ৫০ হাজার যে জনবল রয়েছে সেটা পূরণ করার মতো লোক দিলে আমরা ভালো সার্ভিস দিতে পারবো।

নীলফামারী জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জেড এ সিদ্দিকী বলেন, সীমিত সংকট জনবল দিয়ে আমাদের সার্ভিস আমরা জনগণকে সন্তুষ্ট করতে পারবো। জনবল আরও বাড়বে আমাদের সার্ভিস আরও ভালোভাবে দিতে পারব।

সরকারি বরাদ্দ পেলে হাসপাতালের জনবল সংকট ও অন্যান্য সেবার মান বাড়ানোর আশ্বাস দিলেন সিভিল সার্জন।

হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ৫শ’ রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়। তাদের কাঙ্খিত সেবার জন্য প্রয়োজন ২১ জন চিকিৎসক ও ১৬ জন নার্স।

এইচজে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ