শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিকেএম মহাসচিবকে আঞ্জুমানে হেফাজত ইসলামের ইজতেমার দাওয়াত প্রতিবেশীর হক আদায়ে আমরা কতটা সচেতন? বেফাকের হিফজুল কুরআন শিক্ষিকা প্রশিক্ষণ শুরু ২৩ অক্টোবর ১০ অক্টোবর হবিগঞ্জে আসছেন মাওলানা মামুনুল হক  জনগণকে উপেক্ষা করে বারবার ক্ষমতায় থাকা যাবে না: যুব মজলিস নদওয়াতুল উলামার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম হলেন যিনি কেয়ামত পর্যন্ত হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে একটি দল: বায়তুল মোকাররমের খতিব মসজিদে নববীর আশপাশে সাড়ে ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ স্থানীয় নির্বাচনে চাঁদাবাজ-নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বর্জন করুন: পীর সাহেব চরমোনাই ফ্যাসিবাদের বিচার ও সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ

বাবরি মসজিদ ইস্যু : কোন পথে মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আতাউর রহমান খসরু: বাবরি মসজিদ ইস্যুতে সাইয়েদ সালমান হুসাইনি নদভির এক বক্তব্যে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেছেন, বাবরি মসজিদের বিষয়টি আদালতের বাইরে সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

বাবরি মসজিদের জায়গা হিন্দুদের হাতে তুলে দিয়ে অন্যত্র মসজিদ ও ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা যেতে পারে।

গত শুক্রবার মুসলিম পার্সনাল ল’ বোর্ডের বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভির এ বক্তব্য ভারতের সর্বস্তরের মুসলিমদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। পার্সনাল ল’ বোর্ডের মিটিংয়ে এ বক্তব্য প্রদানের পর সাথে সাথে তার প্রতিবাদ করেন আমেলার একাধিক সদস্য। এতে সভায় বিশৃংখল পরিবেশ তৈরি হয়।

হট্টগোলের মধ্যে মুসলিম পার্সনাল ল’ বোর্ডের সভাস্থল ত্যাগ করেন মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি।

এরপর স্থানীয় গণমাধ্যমে তিনি তার অবস্থানের ব্যাখ্যা করেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন,
মুসলিম পার্সনাল ল’ বোর্ডে উলামায়ে কেরামের সম্মান প্রদর্শন করছে না। ল’ বোর্ডের দুজন স্থায়ী সদস্য কামাল ফারুকি ও কাসেম রাসুল ইলিয়াস হট্টগোল করছেন। অথচ তারা আলেম নয়। শরিয়ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদানে তাদের যোগ্যতা নেই। এ সময় তিনি পৃথক ল’ বোর্ড গঠনের ইঙ্গিতও দেন।

মাওলানা সালমান হুসাইনি নদভি বলেন, বাবরি মসজিদের মতো ইস্যুতে আদালতের উপর নির্ভর করা ঠিক হবে না। বরং উভয় সম্প্রদায়ের মান্যবর ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের একত্রে বসে সমস্যার সমাধান করা উচিৎ এবং তিনি সমঝোতার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।

তিনি আরও বলেন, বিতর্কিত ভূমি মন্দির নির্মাণের জন্য অর্পণ করা হবে এবং অন্যত্র মসজিদ ও ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। মসজিদের নাম হবে মসজিদুল ইসলাম।

নিজ বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে সালমান নদভি বলেন, ১৯৪৯ সাল থেকে এ মসজিদে কোনো নামাজ হয় না। সেখানে মূর্তির উপাসনা হয়। আর ফিকহে হাম্বলি অনুযায়ী মসজিদ স্থানন্তর করা বৈধ। জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য এবং দীর্ঘদিনের বিতর্কিত বিষয়ের সমাধানের জন্য এ মত আমরা গ্রহণ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, মুসলিম পার্সনাল ল’ বোর্ডের কোনো সিদ্ধান্ত কুরআন সুন্নাহ নয়। এর বিরোধিতা করার অধিকার তার রয়েছে। এ সময় তিনি পার্সনাল ল’ বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে ‘শরিয়ত এ্যাপলিকেশন বোর্ড’ করার দাবি করেন। কেননা এ নাম ইংরেজ সরকারের দেয়া।

অন্যদিকে মাওলানা সালমান নদভির বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মাওলানা সাইয়েদ আরশাদ মাদানি, মাওলà¦