রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুয়া-অশ্লীলতা বন্ধের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করল কুমিল্লার ৭ ইসলামি সংগঠন পাঞ্জাবি ছিঁড়ে মাওলানা আনিসুর রহমানের ঘোষণা- ‘খতমে নবুওয়াতের জন্য জীবন উৎসর্গ করব’ প্রশিক্ষিত মুয়াজ্জিন সেবা চালু করেছে আস-সুন্নাহ দাওয়াহ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট আল-আজহার মসজিদে কুরআন পরীক্ষায় অংশ নিলেন ২৪০০ শিক্ষার্থী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণসভায় হেফাজত আমিরকে আমন্ত্রণ ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে নেওয়া ঠিক হবে না রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪ কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ সালের হজের প্রস্তুতি, হাজিদের আবাসনে নতুন নিয়ম সৌদির ইতালিতে দ্রুত বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে প্রতিবন্ধী ভাতিজাকে খুন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে খুন করা হয়েছে প্রতিবন্ধী ভাতিজাকে। খুন করেছে আপন চাচা। ঘটনার প্রায় সাত মাস পর চাঞ্চল্যকর তথ্যিই বেরিয়ে এসেছে পুলিশের তদন্তে।

ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাজীপুর এলাকায়। গত বছরের ২৪ জুন সন্ধ্যায়  এই ঘটনা ঘটে।

সে সময় জানা গিয়েছিলো, একটি পুকুরে থালাবাসন ধোয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে প্রতিবন্ধী এক যুবক নিহত হয়েছেন।

ঘটনার সাত মাসের মাথায় জানা গেল, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধিকতর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য।

[caption id="" align="alignnone" width="604"] নিহত যুবক ও গ্রেফতার হওয়া ইয়াকুত (ডানে) এবং তার সহযোগী বল্লাদ[/caption]

তদন্তে জানা যায়, প্রতিপক্ষের আঘাতে নয়, বরং নিহত প্রতিবন্ধী যুবকের আপন চাচা প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছেন ওই যুবককে।

পিবিআই পুলিশ ঘটনার মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে।গ্রেফতারের পর তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। তারা হলেন নিহত যুবকের চাচা ইয়াকুত মিয়া ও ইয়াকুতের সহযোগী তোফায়েল আহমদ বল্লাদ।

আজ বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত বছরের ২৪ জুন সন্ধ্যার কিছু আগে হাজীপুর গ্রামে একটি যৌথ পুকুরে রান্নায় ব্যবহৃত থালা-বাসন ধোয়াকে কেন্দ্র করে একই বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির জের ধরে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষে ইট পাটকেল নিক্ষেপ হলে এতে ছয়-সাতজন আহত হয়। সংঘর্ষ থেমে গেলে আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।

এ ঘটনার পর সেদিন রাতেই ওই বাড়ির প্রতিবন্ধী আরিফকে গুরুতর অবস্থায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান তার চাচা মো. ইয়াকুত মিয়াসহ অন্যরা। কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে এই ঘটনায় ১৮ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত শেষে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ১৮ জন আসামির মধ্যে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র পাঠানো হলে তিনজনের নাম বাদ দেওয়ার কারণে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী আরবেশ আলী।

পরে আদালত পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে আসে মূল ঘটনা।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ