বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না কুমিল্লা বোর্ডের; পরীক্ষা ছাড়াই চার শিক্ষার্থী পাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহনূর শাহীন: বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের। বিতর্ক এখন কুমিল্লা বোর্ডের নিত্যসঙ্গী। গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় ফল বিভ্রাট ঘটায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলো কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড।

উল্টাপল্টা ফলাফলে বিতর্ক সৃষ্টির ধারাবাহিকতায় এবারের পিইসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ঘটেছে এক অবিশ্বাসী ঘটনা। পরীক্ষা না দিয়েই পাস করেছে চার পরীক্ষার্থী।

গত শনিবার সারা দেশে একযোগে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৭-এর ফলাফল প্রকাশিত হয়। এতে কুমল্লিা বোর্ডের ফলাফলে দেখা যায় চার শিক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েই পাস করেছে।

গতকাল বুধবার এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও পাস করেছে।

উপজেলার বেতিয়ারা, মুন্সিরহাট ও পদুয়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই পাস করে।

এরা হচ্ছে- উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের বেতিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র এবায়দুল হোসেন, তার রোল নং- ৭৬৮২, প্রাপ্ত জিপিএ-৩.৫৮, মোট নম্বর ৩৭৮; মুন্সিরহাট ইউনিয়নের মুন্সিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী মোসা. সাথি আক্তার, তার রোল নং- ৪৪৭০, প্রাপ্ত জিপিএ-২.৫০, মোট নম্বর ৩০৫; আলকরা ইউনিয়নের পদুয়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী আয়শা আক্তার, তার রোল নং- ৮১৮৯, প্রাপ্ত জিপিএ-২.৩৩, মোট নম্বর ২৯০ এবং একই স্কুলের নুসরাত জাহান, তার রোল নং- ৮১৯০, প্রাপ্ত জিপিএ-২.২৫, তার মোট নম্বর ২৯৩।

উল্লেখ্য, গতবছর এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে জিপিএ ফাইভ পেয়েও বহু শিক্ষার্থী এক বিষয়ে ফেল করে। যেটা মেনে নিতে পারেননি শিক্ষক-শিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবক মহলের কেউ।

কারণ, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের মেধাবী ও প্রথম সারীর শিক্ষার্থীদের এমন অবিশ্বাস্য ফলাফল ছিলো অপ্রত্যাশিত। শিক্ষক-শিক্ষারী্দের কেউ কল্পনাও করতে পারেনি তারা ফেল করবে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি তাদের কেউ ফেল বা অকৃতকার্য হওয়ার মতো শিক্ষার্থী নন। সব বিষয়ে এ প্লাস পাওয়া শিক্ষার্থীরা কিছুতেই এক বিষয়ে অকৃতকার্য  হওয়ার ফলাফল মেনে নিতে পারেনি।

এ নিয়ে গত বছর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল কুমিল্লা  বোর্ডের অব্যস্থাপনা এবং মূল্যায়ন ত্রুটিকে দায়ি করে  ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করে।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ