শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ ।। ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৮ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফেনীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নিম্নবিত্তদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া বৃহত্তর মিরপুরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহয় ভর্তি শুরু ৬ শাওয়াল ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস: পীর সাহেব চরমোনাই ৫ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খলিফা ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘আরও ২টি ভেসেল আসছে, জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই’ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করায় আইআরজিসির ড্রোন হামলা রিজওয়ানার বক্তব্যে নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রমাণিত: আমিরে মজলিস হামলা বন্ধের জন্য যে শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

অভিনব পদ্ধতিতে আরব আমিরাতকে শায়েস্তা করলো তুরস্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুজাহিদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিবেদক

মদিনায় নিযুক্ত সাবেক তুর্কি সেনাপতি ফখরুদ্দিন পাশাকে নিয়ে তুরস্ক-আরব আমিরাতের তর্ক দীর্ঘই হচ্ছে। আর এরই ধারাবাহিকতায় অভিনব প্রতিবাদ জানালো তুরস্ক।

আনকারায় আরব আমিরাতের দূতাবাসটি যে রোডে অবস্থিত তা ফখরুদ্দিন পাশার নামে নামকরণ করা হয়।আনকারা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান মুস্তফা তবা এক নির্দেশনায় নাম পরিবর্তন করেন।

পূর্বে এটা ৬১৩ নং রোড নামে পরিচিত ছিল।

নামকরণের সময় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের বিরুদ্ধে উসমানী খেলাফতের পক্ষ হয়ে মদিনা রক্ষার দায়িত্বে থাকা তুর্কি সেনাপতি ফখরুদ্দিন পাশার রূহের মাগফিরাত কামনা হয়।

উল্লেখ্য, আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফখরুদ্দিন পাশার ব্যাপারে কটুক্তি করে টুইট করেন। তিনি অভিযোগ করেন ফখরুদ্দিন পাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে অপরাধে লিপ্ত ছিলেন।

এই টুইটবার্তা তুরস্কে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এমনকি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়্যেব এরদোগান পর্যন্ত এই টুইটের প্রতিবাদ করেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের পিতৃপুরুষ ফখরুদ্দিন পাশা যখন মদীনা রক্ষায় নিয়োজিত ছিল তখন তোমার পিতৃপুরুষ কোথায় ছিল?

ফখরুদ্দিন পাশা ইংল্যান্ডের কাছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘তুর্কি মরুসিংহ ’ নামে পরিচিত ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে মদিনা রক্ষায় তিনি নিয়োজিত ছিলেন দীর্ঘ ২ বছর ৯ মাস।

ইস্তাম্বুল থেকে অনবরত নির্দেশনা এবং ব্রিটেনের পক্ষ থেকে মদীনা হস্তান্তরের চাপ সত্ত্বেও তিনি অব্যাহতভাবে লড়াই করে যান।

এক পর্যায়ে তিনি যুদ্ধবন্দী হিসেবে আটক হন এবং তিন বছর মাল্টাদ্বীপে কারারুদ্ধ থাকেন। পরবর্তীতে আনকারা সরকারের ঐকান্তিক চেষ্টায় ১৯২১ সালে তিনি মুক্তি পরে তাকে আফগানিস্তানে তুরস্কের রাস্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ