বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ড. মোস্তফা আজমির ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

তাওহীদ মাদানী
দেওবন্দ থেকে

কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ড. মোহাম্মদ মোস্তফা আজমি কাসেমি আজ বাদ ফজর সৌদির রাজধানী রিয়াদে ইন্তেকাল করেন৷ ইন্তেকালের সময় তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর৷

সৌদি আরবের অবস্থানরত মাওলানা নাজিব আহমদ কাসেমি সোহেলী আওয়ার ইসলামকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

মাওলানা মুস্তাফা আজমি কাসেমী ছিলেন সময়ের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস এবং ফুজালায়ে দেওবন্দের একজন প্রসিদ্ধ আলেম।

তার ইলম ও প্রজ্ঞার নিপুণতায় তিনি শাহ ফয়সাল ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন৷ এছাড়া তিনি সৌদি আরবের নাগীরকত্বও পেয়েছেন।

মাওলানা আজমি উত্তর প্রদেশের আজমগড়ে ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বিখ্যাত ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্র দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে ১৯৫২ সালে ফারেগ হন। দারুল উলুম দেওবন্দের খতমে নবুওয়ার বিভাগ থেকে উচ্চ ডিগ্রিও অর্জন করেন৷

বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী ইসলামি প্রতিষ্ঠান জামিয়া আজহার, মিশর থেকে ১৯৫৩ সালে (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫৫ সালে, কাতারে কাজ করতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কয়েক দিন অনারবি ছাত্রদের আরবি ভাষা শেখান। তারপর কাতারের পাবলিক লাইব্রেরিতে খেদমত আঞ্জাম দেন।

১৯৬৪ আমি কাতার থেকে লন্ডন যান এবং ১৯৬৬ সালে কেমব্রিজ থেকে প্রারম্ভিক হাদিস শাস্ত্রের পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ডক্টরেট ডিগ্রি থেকে সার্ফিং করার পর তিনি আবার কাতার যান এবং কাতার পাবলিক লাইব্রেরিতে দুই বছর কাজ করেন।

১৯৬৮ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত জামিয়া উম্মুল কোরা মক্কা মুকাররমায় অধ্যাপক ছিলেন। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত কিং সৌদ ইন্সটিটিউটে হাদিসের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮০ সালে তিনি হাদীস শাস্ত্রের মহান খেদমত আঞ্জাম দেয়ার ভিত্তিতে কিং ফয়সাল ওয়ার্ল্ড পুরস্কারপ্রাপ্ত হন। ১৯৮১ সালে হাদিসের খেদমতের ভিত্তিতে সৌদি নাগরিকত্ব লাভ করেন৷

ওমরাহ পালনে সাকিব-অনন্ত ও শাহরিয়ার নাফিস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ