বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ল প্যান্ডেল সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাইকেল চালিয়ে হজ্বে যেতে চান পাকুন্দিয়ার হিমেল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নূরুল জান্নাত মান্না, পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি: শুধু শখের বশে এদিক-সেদিক সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়া নয়, সাইক্লিং তারুণ্যের বিশেষ প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহান্তে বাসায় গা এলিয়ে দেয়ার পরিবর্তে অনেকেই সাইকেল নিয়ে চলে যায় ঢাকা শহর কিংবা ঢাকার আশপাশের জায়গাগুলো চষে বেড়াতে।

আজ ঢাকা তো কাল ময়মনসিংহ - এভাবেই চলছে সাইকেলচারীদের প্রত্যেকটা ছুটির দিন। সাইকেলের মায়া যেন অদ্ভুত এক নেশা হয়ে পড়েছে তাদের জন্য। এমনকি শুধু সমতলেই নয়, পাহাড়, নদী পেরিয়ে সাইকেলে চেপে বহুদূরের পথ পাড়ি দেয়ার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন এখন অনেক দ্বিচক্রযান-প্রেমীরা।

এমনই একজন অদম্য তরুণ পাকুন্দিয়ার হিমেল। সাইকেল চালিয়ে অল্প দিনেই দেশের ১৪ টির অধিক জেলা ভ্রমণ করেছে ছেলেটি। পুরো নাম মোকাম্মেল হক হিমেল। বয়স ২০। মুখে উঠতি বয়সের ছোপ ছোপ দাড়ি। তবে চোখে মুখে আত্মবিশ্বাস আর দৃঢ়তার ছাপ।

মো. মস্তুুফা কামাল ও পারুল ‍বেগমের ২ ছেলের মধ্যে বড় এই হিমেল। সে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের খামা গ্রামের বাসিন্দা। শৈশব থেকেই পছন্দের বিষয় ভ্রমণ করা। তখন থেকেই স্বপ্ন দেখা শুরু। আর এই স্বপ্ন পথের যাত্রা শুরু হলো ২০১৬ সালে। ‍বিভিন্ন বাঁধা আসলেও পিছিয়ে যায়নি তার লক্ষ্য থেকে। স্বপ্ন দেখেন সাইকেল চালিয়ে হজ্জ করতে যাবেন। কাজটি অসম্ভব হলেও কোনভাবেই হেরে যেতে চান না হিমেল।

তারুণ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাইক্লিং এর প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন হিমেল। তিনি বলেন, আমরা একটা অদ্ভুত সময়ে বাস করছি। সকলেই এখন মুখ গুঁজে থাকে মোবাইল কিংবা ল্যাপটপে। রাতজেগে ইন্টারনেট, ফেইসবুক। তরুণরা ভুলে যাচ্ছে তাদের উচ্ছলতা, হাসি, আনন্দ।

বিকৃত আনন্দে মশগুল হয়ে যাচ্ছে তারুণ্য। কিন্তু আমি যখন সাইকেল চালাচ্ছি তখন আমার পুরো পৃথিবীকে দেখার আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। এই প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘোরার নেশা আমাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। তাই আমার মনে হয় সাইক্লিং আমাদের অনেকাংশে রক্ষা করতে পারে অনলাইন দুনিয়া থেকে।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ