বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতীয় আলেমদের প্রতিবাদের মুখে সুর নরম তসলিমা নাসরিনের কাল হারামাইনে জুমার খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চরমোনাই মাহফিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শেখ নাসির উদ্দিন
চরমোনাই থেকে

আজ আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দেশের অন্যতম বৃহৎ ইসলামি সম্মেলন চরমোনাইয়ের বাৎসরিক মাহফিল।

আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি মোনাজাতে বিশ্ব মানবতার মুক্তি, দেশ-জাতির উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করেন।

এর আগে বাদ ফজর বয়ানে তিনি বলেন,হজরত উমর রা. ক্ষুধার্ত প্রজার ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিজ কাঁধে আটার বস্তা বয়ে নিয়েছিলেন। আজকাল আমরা ইলম-কালাম শিখলেই সম্মানের প্রত্যাশা করি। আমাদের নামে নাড়া (শ্লোগান) না লাগলে মনে কষ্ট লাগে। বাবারে, এমন ইলম কিন্তু তোমাকে ধ্বংসের হাত থেকে নাজাত দেবে না।

আজকাল অনেক আলেম পেছনে পেছনে চরমোনাইর সমালোচনা করেন। কিন্তু কেন? আমরা তো সবসময় বলি,আমাদের ভুল থাকলে ধরিয়ে দিন। তা না করে সমালোচনা করলে কিন্তু কোন ফল হবে না।

মুফতি রেজাউল করীম আরও বলেন আমি যখন চরমোনাই ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলাম. তখন বিপক্ষ দলের এক নেতা বলেছিলেন ‘রেজাউল করীম চেয়ারম্যান হলে উন্নয়ন হোক আর নাই হোক, নামাজির সংখ্যা বাড়বে’।

চেয়ারম্যান হওয়ার পর আমি কোন এক সালিসে বসলাম। আজান হলে আমি মসজিদের দিকে চললাম। উপস্থিত লোকজনও লজ্জায় মসজিদে নামাজ পড়তে রওয়ানা দিল। চেয়ারম্যান নামাজ পড়তে যাচ্ছেন আর তারা বসে থাকবে,এমনটা কেউ মানতে পারল না। এজন্য বলি, আপনি নামাজ পড়েন আর আপনার সমর্থন/ভোট নামাজ কায়েমকারী পায় না। বুঝতে হবে,আপনার নামাজে গলদ আছে। আল্লাহ বলেছেন, সৎ কাজে তোমরা সহযোগিতা কর।

গত ২৬ নভেম্বর মাহফিল শুরু হয়ে লাখো লোকের মিলন মেলা আজ শেষ হলো। এই তিনদিন শরিয়াত, মারেফাত এবং মাদসার সম্পর্কে বয়ান করেন চরমোনাই পীর, দরবারের খলিফাগণ ও দেশবরেণ্য আলেমগণ।

মাহফিলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ ডাক্তার মোখতার হোসাইন । সুষ্ঠুভাবে মাহফিল সম্পন্ন হওয়ায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন, মিডিয়া কর্মী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, সেচ্ছাসেবক বাহিনী ও সকল মুজাহিদকে ধন্যবাদ জানান।

আগামী ২৪, ২৫, ২৬ ফেব্রুয়ারি'১৮ এর মাহফিলে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ