বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাবিতে ভর্তি শতাধিক শিক্ষার্থী; চক্র গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত ৩ বছরে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি হয়েছে একশ’রও বেশি শিক্ষার্থী। প্রশ্নফাঁস ও ডিভাইসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই জালিয়াত চক্র ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দফতওে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। জালিয়াত চক্রের গ্রেফতারকৃত সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আগের গ্রেফতারকৃতদের মামলা তদন্ত করে এসব তথ্য দিয়েছে সিআইডি।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম জানান, ১৪ নভেম্বর এ চক্রের হোতা এনামুল হক আকাশকে গাজীপুর ও নাবিদ আনজুম তনয়কে রংপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সোমবার ঢাবিতে ভর্তি হওয়া ৭ ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়।

ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির মূল হোতা নাভিদ আনজুম তনয়। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী আকাশ। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে বাইরে থেকে উত্তর বলে দিয়ে এবং পরীক্ষার দিন সকালে কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে আসছিল।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্ত আমরা শুধু ঢাবি নয়, ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষা ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাতেও জালিয়াতির তথ্য পেয়েছি। সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্রত্যেকটি ভর্তি পরীক্ষায় ৪ থেকে ৭ লাখ করে টাকার লেনদেন হয়েছে।’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ